ইতালি ভিসার দাম কত ( সিজনাল ভিসা নন সিজনাল ভিসা )

ইতালি ভিসার দাম কত ( সিজনাল ভিসা নন সিজনাল ভিসা )
ইতালি ভিসার দাম কত

ইতালিতে যাওয়ার জন্য দুই ধরনের ভিসা পাওয়া যায় একটি হচ্ছে সিজনাল ভিসা আর অন্যটি হচ্ছে নন সিজনাল ভিসা। তাই আজকে আমরা এই কনটেন্ট এর মাধ্যমে আপনাদেরকে জানিয়ে দিব ইতালি ভিসার দাম কত। এখান থেকে আপনারা ইতালির যেকোনো ভিসার দাম আপনারা জানতে পারবেন।

বর্তমানে ইতালিতে কয়েক ধরনের ভিসা চালু আছে যেমন, স্পন্সর ভিস্‌ স্টুডেন্ট ভিসা, টুরিস্ট ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা, মেডিকেল ভিসা, কৃষি ভিসা, তাছাড়াও এখানে জানতে পারবেন ইতালিতে বেতন কত এবং কোন কাজগুলোতে ইতালিতে বেতন বেশি এবং চাহিদা বেশি তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক।

ইতালির ভিসার দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে সাধারণত আপনি কোন কাজের উপর যাচ্ছেন এবং কাজের গুরুত্ব কতটা এবং বেতন কতটুকু পাবেন তার সম্পূর্ণ নির্ভর করে কাজের ধরন অনুযায়ী ভিসার দাম। ইতালিতে বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের কাজের ভিসা পাওয়া যাচ্ছে তাই বিভিন্ন ধরনের দামের উপর নির্ভর করে ইতালির ভিসা।

ইতালি ভিসার দাম কত
ইতালি বিজনেস ভিসা৮ লক্ষ টাকা
ইতালি টুরিস্ট ভিসা৩ লক্ষ টাকা
ইতালি মেডিকেল ভিসা৪ লক্ষ টাকা
ধর্মীয় অনুষ্ঠান ভিসা৩ লক্ষ টাকা
ওয়ার্ক পারমিট ভিসা৯ লক্ষ টাকা
ইতালি স্টুডেন্ট ভিসা২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা
ইতালি সিজনাল ভিসা৪ লক্ষ ৩০ হাজার
ইতালি নন সিজনাল ভিসা৮ থেকে ৯ লক্ষ ঢাকা

ইতালি স্পন্সর ভিসার দাম

ইতালিতে দুই ধরনের ভিসা পাওয়া যায় আর এই দুই ধরনের ভিসা কে বলা হয় স্পন্সর ভিসা। একটি হলো সিজনাল ভিসা আর অন্যটি হলো নন সিজনাল ভিসা। প্রত্যেক বছরে যে সময়ে শ্রমিকদের চাহিদা বাড়ে এবং কাজের সময় আসে তখন সেটা সিজনাল ভিসা। 6 মাস থেকে 1 বছর মেয়াদ পর্যন্ত এ ভিসার কার্যক্রম চালু থাকে পরবর্তীতে আবার অন্যান্য বছরগুলোতে সিজনাল ভিসা তৈরি করে যাওয়ার সুযোগ পাবেন তবে এক্ষেত্রে সিজনাল ভিসার দাম পড়বে ৪ লক্ষ টাকা। আর যদি নন সিজনাল ভিসা নিতে চান তাহলে এই ক্ষেত্রে খরচ পড়বে ৮ লক্ষ টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন রকমের হতে।

ইতালি স্টুডেন্ট ভিসার দাম

ইতালি স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে যেতে হলে খরচ পড়বে ২ লক্ষ্য ৫০ হাজার টাকা। তবে এক্ষেত্রে স্টুডেন্ট ভিসা নেওয়ার জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় রিকোয়ারমেন্ট গুলো থাকতে হবে এবং ইতালির যে কোন ইউনিভার্সিটি হতে স্কলারশিপের অ্যাপ্রভাল পাওয়া লাগবে তাহলে কম খরচের মধ্যে ইতালিতে যাওয়া যাবে তবে এক্ষেত্রে যারা বেসরকারি পদ্ধতিতে যাবে শুধুমাত্র তাদের জন্যই এটা বলা হলো।

আরো পড়ুনঃ  রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক-রোমানিয়া সাবমিশন স্লিপ চেক

তবে সরকারি মাধ্যমে যদি ইতালিতে সরকারি ভার্সিটিতে পড়ার সুযোগ পান তাহলে এক্ষেত্রে কিন্তু খরচ একেবারেই কম পড়বে সীমিত মূল্য খরচের মধ্যেই ইতালিতে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যাওয়া যাবে তবে এক্ষেত্রে আপনাকে বাংলাদেশ থেকে এইচএসসি তে ৪ পয়েন্ট থাকতে হবে এবং অনার্স মাস্টার্স শেষ করে যদি যেতে চাও তাহলে আইএলটিএস করতে হবে তারপরে ইতালিতে স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করে নিতে পারবেন।

ইতালি মেডিকেল ভিসার দাম

ইতালি মেডিকেল ভিসার দাম পড়বে ৪ লক্ষ টাকা। তবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করবে আপনি কত দিনের ভিসা নিতে চাচ্ছেন এবং কতদিন পর্যন্ত ইতালিতে অবস্থান করছেন সেটার উপর। তবে ইতালিতে যাওয়ার পরে যদি সময় বেশি লাগে তাহলে মেডিকেল ভিসার জন্য আবেদন বাড়িয়ে নিতে পারবেন অথবা যারা মেডিকেলে কাজের জন্য ভিসা তৈরি করে থাকেন তাদের জন্য কিন্তু ভিসার দাম বেশি হবে।

সাধারণ চিকিৎসার কাজে যেতে চায় তাদের জন্য ৪ টাকা খরচের মধ্যে আপনারা যেতে পারবেন। তবে মেডিকেল স্টুডেন্ট যারা পড়াশোনার জন্য যেতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে খরচ কিন্তু আরো বেশি পড়বে এবং যারা মেডিকেল ওয়ার্ক পারমিট কাজের জন্য যেতে চাচ্ছেন তাদের জন্য কিন্তু আলাদা ভিসার ক্যাটাগরী আছে সেই অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

ইতালি সিজনাল ভিসার দাম

ইতালি সিজনাল ভিসার দাম পড়বে ৪ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকার মতো। তবে এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনি কত মাস মেয়াদী ভিসা তৈরি করছেন যদি 6 মাস মেয়াদী করে থাকেন তাহলেও আপনার খরচ চার লক্ষ থেকে তিন লক্ষ টাকার মত পড়বে। তবে এক্ষেত্রে ৬ মাস থেকে ১ বছর মেয়াদী পর্যন্ত ইতালি সিজনাল ভিসার মেয়াদ হয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ  আমেরিকা কাজের ভিসা ২০২৩ | আমেরিকা কাজের ভিসার দাম কত

ইতালি নন সিজনাল ভিসার দাম

ইতালির নন সিজনাল ভিসার দাম পড়বে ৮ টাকা অথবা ৯ লক্ষ টাকা। এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনি কোন কাজের ভিসা নিয়ে ইতালিতে প্রবেশ করতে চাচ্ছেন এক্ষেত্রে যদি ভাল কোন কাজের ভিসা হয়ে থাকে তা হলে দাম আরো বেশি পড়তে পারে তবে সাধারণত যে সমস্ত বেসরকারি কোম্পানি গুলো ইতালিতে কর্মী নিয়োগ দিয়ে থাকে তারা সাধারণত ৮ থেকে শুরু করে 9 লক্ষ টাকার মধ্যেই ভিসার দাম নির্ধারিত করে থাকে।

তবে এক্ষেত্রে আপনাদের অবশ্যই যে এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন সেই এজেন্সি কী কী খরচ আপনাদেরকে দিবে এবং কত টাকা বেতনের কাজী টি এবং আপনি বিবেচনা করে দেখবেন যে কত বছর থাকলে আপনি ভিসার দাম তুলতে পারবেন তা সম্পূর্ণ বিবেচনা করার পরেই ইতালিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিবেন।

আর একেবারে সম্পূর্ণরূপে দালালের মাধ্যমে চলার চেষ্টা করবেন কেননা দালালরা সাধারণত আপনার কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে তাই অবশ্যই দালালের মাধ্যমে ছাড়া সরাসরি সরকার নিবন্ধিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। বর্তমানে দালালের খপ্পরে পড়ে অনেকেই অবৈধ পথে পাড়ি জমাচ্ছে তাদের কিন্তু লাইফের মধ্যে দিয়েই ইতালিতে প্রবেশ করতে হয় এমনকি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

ইতালি ওয়ার্ক পারমিট ভিসার দাম

ইতালিতে যদি সরকারিভাবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন তাহলে এই ক্ষেত্রে খরচ পড়বে ২ লক্ষ টাকা থেকে আড়াই লক্ষ টাকার মধ্যে। বেসরকারি মাধ্যমে যদি আপনারা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যেতে চান তাহলে অবশ্যই 8 লাখ থেকে 9 লাখ টাকা এবং তার থেকেও বেশি খরচ পড়তে পারে কেননা বর্তমানে যাবতীয় খরচ বেড়ে যাওয়ার কারণে ভিসার দাম আগের মতো এখন আর নাই বিমান ভাড়া বাড়ার কারণে ভিসার দাম অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

তবে সরকারি মাধ্যমে যদি আপনারা ইতালিতে যেতে চান তাহলে প্রশিক্ষণ নিয়ে ভালোমতো আপনারা যেতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে খরচ অনেক কম এবং নিরাপত্তার সাথে যেতে পারবেন এবং ভালো পরিমাণ বেতনের কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন প্রথম অবস্থায় সরকারিভাবে যাওয়ার যদি সেভাবে নাচাতে পারেন তাহলে সরকারি নিবন্ধিত এজেন্সির মাধ্যমে যেতে পারেন।

ইতালি ভিসার দাম কত

ইতালি টুরিস্ট ভিসার দাম কত

ইতালি টুরিস্ট ভিসার দাম ৩ লক্ষ টাকা। আপনি যদি 30 দিন মেয়াদে একটি ভিসা তৈরি করতে চান তাহলে এক্ষেত্রে খরচ কেমন পড়বে এবং পরবর্তীতে যদি আপনি তিন মাস থেকে আরো বেশি দিনের ভিসা তৈরি করতে চান তাহলে কিন্তু খরচ বেশি পড়বে তবে প্রথম অবস্থায় 90 দিন থাকার পরে আপনার কোনো কারণে যদি আরও বেশি থাকা লাগে তাহলে পরবর্তীতে রিনিউ করার জন্য এক্সট্রা ভাবে খরচ প্রদান করতে হবে।

তবে সেখান থেকে কিন্তু রিনিউ করার সুযোগ সুবিধা একেবারেই কম তবে আপনাকে একটি উল্লেখযোগ্য প্রমাণ দেখাতে হবে তাহলে অভিনয় করার সুযোগ থাকবে তবে সে ক্ষেত্রে কিন্তু খরচ অনেক কম পড়বে। এবং আপনার সমস্যার কারণে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের ঝামেলায় পড়তে হতে পারে তাই অবশ্যই সেইসব মাধ্যমগুলো একেবারেই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন কেননা পরবর্তীতে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

আরো পড়ুনঃ  ইতালি স্পন্সর ভিসা ২০২৩ আবেদন, ইতালি স্পন্সর ভিসা কি

ইতালি ভিসা খরচ নিয়ে বিস্তারিত

উপরুক্ত সরকারি এবং বেসরকারি দুইটা মাধ্যমে আমরা দেখিয়েছি তবে এক্ষেত্রে সরকারি এবং বেসরকারি উল্লেখ করা আছে। সাধারণত ইতালির ভিসা গুলো আপনি কোন ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে যেতে চাচ্ছেন সেই ক্যাটাগরি অনুযায়ী দাম নির্ধারিত হয়ে থাকে। তাছাড়া আপনারা সরাসরি বিএমইটি অথবা মাধ্যমে যোগাযোগ করে আপনারা ভিসার দাম সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জেনে নিতে পারবেন।

তবে এক্ষেত্রে আপনাদেরকে জেনে রাখা উচিত যে সরকারই মাধ্যমে যেতে চান তাহলে উপরোক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আপনাদেরকে জানাতে হবে তাছাড়া বেসরকারিভাবে বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে যেতে চাইলে আপনারা তাদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেও যেতে পারবেন তবে খরচ কিন্তু বেশি পড়বে এবং উপযুক্ত খরচ অনুযায়ী আপনাদেরকে একটি ধারণা দেওয়া হয়েছে বেসরকারি মাধ্যমে মনটা খরচ পড়তে পারে।

সতর্কতাঃ

ইতালিতে যদি আপনারা যে কোন ভিসার মাধ্যমে যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার অনলাইন থেকে দাম জেনে নিবেন এবং নির্ভরযোগ্য এম্বাসি হতে যাওয়ার চেষ্টা করবেন। দালালের মাধ্যমে কিভাবে সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন কেননা দালালরা আপনার কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা দাবি করতে পারে এমনকি আপনাদেরকে মাঝরাস্তায় নিয়ে যাওয়ার পরে আপনাদেরকে বন্দি করে আপনার ফ্যামিলির মাধ্যমে টাকা আদায় করার চেষ্টা করবে।

আরো পড়ুনঃ  বাংলাদেশ টু ওমান বিমান ভাড়া কত ২০২৩

বর্তমানে কয়েক বছর হলে এরকম অনেক দালাল রয়েছে যারা আপনাকে কম টাকার মধ্যে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে এবং আপনাদেরকে নিয়ে যাওয়ার পরে বন্ধক রেখে আপনার ফ্যামিলির কাছে টাকা দাবি করতে পারে তাই অবশ্যই দালালের মাধ্যমে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন আমরা অন্য একটি কমেন্টের মাধ্যমে দেখেছি যারা ইতালিতে বৈধভাবে কিভাবে যাবেন সেটা পড়ে নিতে পারেন সেখানে বিস্তারিত ভাবে আমরা ইতালিতে যাওয়ার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেছি।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *