কানাডা কৃষি ভিসা আবেদন-কানাডা কৃষি কাজের বেতন কত

কানাডা কৃষি ভিসা আবেদন
কানাডা কৃষি ভিসা

উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে বড় দেশটির নাম হল কানাডা। উন্নত দেশের তালিকার দিক থেকেও কানাডা প্রথমদিকে রয়েছে, তাই এ দেশের শ্রমিকের ব্যাপক ধরনের চাহিদা, কানাডায় প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৫ হাজার মানুষ অধিবেশন করে থাকে। বাংলাদেশি মানুষদের কানাডার উপর বেশি আগ্রহ থাকার মূল কারণ হলো এখানে অনেক রকমের ক্যাটাগরিতে কাজ পাওয়া যায়। প্রায় ৫৫ ক্যাটাগরিতে আলাদা আলাদা ভাবে কানাডায় কাজ পাওয়া যায়।

আজকের এই কনটেন্টের মাধ্যমে আমরা কানাডার একটি ভিসা ক্যাটাগরি নিয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছি, আমাদের আজকের কনটেক্টের আলোচ্য বিষয় হলো কানাডা কিসে ভিসা আবেদন। কিছু কিছু সংক্রান্ত সকল তথ্য নিয়ে আজকে আমাদের এই কন্টেন্টের সাজানো হয়েছে, তাই আপনি যদি কৃষি ভিসা নিয়ে কানাডায় যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার জন্য আমাদের এই কন্টেন্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

কানাডা কৃষি ভিসা আবেদন

কানাডায় কৃষি ভিসার আবেদন মূলত কয়েক ধাপে করতে পারবেন। যেমন আপনি যদি মনে করেন সরকারি বোয়েসেল এর মাধ্যমে কৃষি ভিসার জন্য আবেদন করবেন অথবা বাংলাদেশ থেকে যে কোন একটি বেসরকারি এজেন্সি থেকে কানাডা কৃষি  ভিসার জন্য আবেদন করবেন। বাংলাদেশে নাগরিক হিসেবে আপনি উভয়ের মাধ্যমেই কানাডায় কৃষি জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হবে যেমন বেসরকারিভাবে যদি কানাডা কিসের ভিসা নিতে চান সেক্ষেত্রে যা খরচ হবে তার থেকে অল্প পরিমাণ খরচ হবে সরকারি বোয়েসেল মাধ্যমে কৃষি ভিসা নিলে।

কৃষির দিক থেকে উন্নত যে দেশগুলো বহির্বিশ্বের সমালোচিত রয়েছে তার মধ্যে কানাডা অন্যতম কানাডার। কানাডার শ্রমবাজারের বিপুল পরিমাণ অংশ জুড়ে রয়েছে বাংলাদেশে। বাঙ্গালীদের মধ্যে কানাডায় কৃষি ভিসা পাওয়ার জন্য ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

কানাডা কৃষি ভিসা আবেদনের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

প্রতিটা দেশের মতো কানাডা যেতেও কিছু রিক্রুটমেন্ট ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হয়। যেগুলো সঠিকভাবে অফিসের জমা দিয়ে যাচাই-বাছাই করার মাধ্যমে আপনাকে ভিসা প্রদান করা হয়। আসুন জেনে নেই কানাডায় কৃষি ভিসার জন্য কোন ডকুমেন্টসগুলো সব থেকে বেশি প্রয়োজন।

  • ফাঁকা পৃষ্ঠা সহ একটি বৈধ পাসপোর্ট পাসপোর্টে অবশ্যই ছয় মাসের মেয়াদ থাকা বাধ্যতামূলক
  • ভিসা অ্যাপ্লিকেশন  ফর্মটি, বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম টি কোনভাবেই ভুল ত্রুটি করা যাবে না। এক্ষেত্রে আপনি এজেন্সির সহায়তা নিতে পারেন।
  • পাসপোর্ট সাইজের কিছু ছবি, ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড অবশ্যই সাদা কালার হতে হবে এবং নূন্যতম তিন মাসের পুরনো ছবি হওয়া যাবে না।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট দেখাতে হবে
  • কমপক্ষে ২০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত একটি সচল ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে।
  • মেডিকেল রিপোর্টের প্রয়োজন হবে
  • আপনি বর্তমানে কোথায় কর্মরত আছেন তার একটি চিঠি দেখাতে হবে।

উপরোক্ত ডকুমেন্টসগুলো ছাড়াও সাময়িক কিছু সময় নতুন কিছু ডকুমেন্ট দেওয়া হয় এজেন্সিগুলোতে। তাই অবশ্যই এই ডকুমেন্টসগুলো ছাড়াও যদি অন্য কোন ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয় সে ক্ষেত্রে আপনারা আপডেট নিতে পারেন। এছাড়াও অনলাইন থেকেও জেনে নিতে পারবেন কোন ডকুমেন্টস গুলো সব থেকে বেশি প্রয়োজন কানাডা কৃষি ভিসার ক্ষেত্রে।

কানাডা কৃষি ভিসা ২০২৩ আবেদন ফরম

কানাডা কৃষি ভিসার আবেদন ফরম আপনারা অনলাইন থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন, এছাড়াও যারা অনলাইন সম্পর্কে বোঝেন না তারা খুব সহজে বাংলাদেশের যেকোনো এজেন্সি থেকে কানাডা কৃষি ভিসার ফর্ম উঠাতে পারবেন। যাদের এজেন্সি এবং অনলাইন সম্পর্কে অভিজ্ঞতা কম  খুব সহজে তারা সরকারি মাধ্যমে কানাডায় কৃষি ভিসা আবেদন করতে পারবেন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি বয়েসেল কিন্তু সরকারি এজেন্সি সমূহ গুলোর সাথে কথা বলতে হবে। এজেন্সি থেকে আপনাকে খুব সহজেই কানাডা কিসে ভিসা পাবার রিকুয়েস্টমেন্ট গুলো জানিয়ে দেবে।

আরো পড়ুনঃ  ফিজি কাজের ভিসা ২০২৩-ফিজি কাজের বেতন

কানাডা কৃষি ভিসা ২০২৩ বেতন কত

কারণে কৃষি কাজের বেতন ২০২৩ সালে কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে কানাডায় কৃষি কাজের বেতন সর্বোচ্চ ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে এক্ষেত্রে সাধারণ কৃষকদের বেতন কিন্তু ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত নয়। যারা উন্নতি প্রযুক্তি সম্পূর্ণ যন্ত্র গুলো পরিচালনা করতে পারে তাদের বেতন ৯০০০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে আপনি যদি কোন কাজে বিশেষভাবে দক্ষ না হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই কানাডায় কৃষি ভিসা যাবার আগে দেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এরপরে কানাডায় যাবেন। তাহলে আপনার বেতন সাধারণ বেতনের তুলনায় অনেক বেশি হবে।

কানাডা কৃষি কাজের বেতন কত যখন

৫০ থেকে ৮০ হাজার পর্যন্ত কৃষি ভিসার বেতন পাওয়া যায় কানাডায়। তবে কানাডা প্রযুক্তিগত দিক থেকে ব্যাপক উন্নত হওয়ায় আপনাকে কৃষি বিষয়ে কাজ করার জন্য বেশ দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সাধারণ দক্ষতায় আপনি কৃষি ভিসায় যদি কানাডায় জান তাহলে আপনি অতিরিক্ত বেতন পাবেন না। অভিজ্ঞতা ছাড়া কানাডায় কৃষি ভিসায় গেলে সর্বোচ্চ ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেতন পেতে পারেন। তবে সেখানে যাবার পর বিভিন্ন মাধ্যমে নিজের স্কিল ডেভেলপ করে আপনি বেতন বাড়িয়ে নিতে পারবেন।

কানাডা কৃষি ভিসার দাম কত

কানাডা কৃষি ভিসার দাম বর্তমানে পাঁচ থেকে সাত লক্ষ টাকা। কারণ বহির্বিশ্বের প্রতিটা জিনিসেরই দাম বাড়ার সাথে সাথে কানাডা কৃষি ভিসার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আগের তুলনায় প্রায় এক থেকে দেড় লক্ষ টাকা বেশি লাগছে কানাডা কৃষি ভিসা পাওয়ার জন্য। তবে এক্ষেত্রে যদি কানাডা নিকটস্থ কেও থাকে তাহলে তার থেকে যদি কৃষি  ভিসা নিতে পারেন তাহলে খুবই অল্প টাকার মধ্যে এই কানাডা কৃষি ভিসা পেয়ে যাবেন।

আরো পড়ুনঃ  কানাডা কাজের ভিসা ২০২৩, কানাডা ওয়ার্ক পারমিট প্রসেসিং

এবং পরিচিত মানুষদের থেকে ভিসা নেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা রয়েছে। এজেন্সি কিংবা দালালদের মাধ্যমে কৃষি ভিসা নিতে গেলে নানান ধরনের প্রতারণার শিকার হতে হয়। বাংলাদেশে অনেক যুবক কানাডা কৃষি বিষয়ে বাবার জন্য দালালের সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় এবং পরবর্তীতে ব্যাপকভাবে প্রতারণার শিকার হয়। তাই অবশ্যই দালাল ও প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকতে হবে এবং যদি নিজস্ব কেউ থাকে তাহলে তার থেকে ভিসা নেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।

সরকারিভাবে কানাডা কৃষি ভিসা

সরকারিভাবে কানাডাতে জব ভিসা সহ অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের ভিসা নিয়ে যেতে পারবেন তবে বর্তমানে কানাডাতে কৃষি ভিসা নিয়েও যাওয়া যাবে। তবে কৃষি ভিসাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই কৃষি কাজে দক্ষতা অর্জন করে তারপরে আপনারা কানাডাতে কৃষি ভিসা নিয়ে সেখানে গিয়ে কাজে নিয়োজিত হতে পারবেন তবে অবশ্যই আপনাদের জেনে রাখা উচিত যে কৃষি ভিসাতে যাওয়ার জন্য দুই ধরনের ভিসা সার্ভিস চালু আছে।

একটি হলো সিজনাল ভিসা আর অন্যটি হলো নন সিজনাল ভিসা। যখন কানাডাতে সিজনাল বিভিন্ন ধরনের কৃষিভিত্তিক কাজ করা হয় তখন বৈদেশিক শ্রমিকদের নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে। আর যখন অন্যান্য সময় ক্ষেত খামারসহ গবাদি পশু পালনের কাজ করা হয়ে থাকে তখন নন সিজনের মাধ্যমে কানাডায়  কৃষক নিয়োগ দিয়ে থাকে।

আরো পড়ুনঃ  বাহরাইন ভিসা চেক করার নিয়ম ( এক ক্লিকেই )

এই দুই ভাবে আপনারা যেতে পারবেন। তবে সিজনাল ভিসার জন্য আপনারা যদি আবেদন করেন তাহলে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্বস্ত যে সমস্ত রেকর্ডিং এজেন্সি রয়েছে এ সমস্ত এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে যেতে পারবেন তবে অবশ্যই আপনি কত দিনের ভিসা নিচ্ছেন এবং বেতন কত টাকা এবং কোম্পানি খরচ আপনাকে কি কি বহন করবে সে বিষয়গুলো আপনার এজেন্সির মাধ্যমে জেনে নেবেন এবং তাদের ডিউটি সময় কত ঘন্টা সেই বিষয়টি ভালোমতো জেনে নিতে হবে।

 

কানাডা কৃষি ভিসা

কানাডা কৃষি ভিসায় যাওয়ার এজেন্সি

কানাডায় কৃষি ভিসা আপনি সরকারী এবং বেসরকারি উভয় মাধ্যমে যেতে পারবেন। বেসরকারি এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে গেলে অতিরিক্ত টাকা এবং বেশ সময় লাগার সম্ভাবনা থাকে। তবে সরকারি এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে যদি কানাডা জান সেক্ষেত্রে খরচ এবং সময় দুটোই সাশ্রয় হবে। বাংলাদেশে অনেকগুলো এজেন্সি রয়েছে কানাডার ভিসার জন্য। আপনি বাংলাদেশের যে কোন এজেন্সি থেকে কানাডার কৃষি ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে বিশেষ করে ঢাকা সাভার যে এজেন্সি রয়েছে সেখান থেকে কিছুটা বেশি সুযোগ পাওয়া যাবে বলে আমার মনে হয়।

আরো পড়ুনঃ  ওমানে কোন কাজে বেতন বেশি-ওমানে কোন কাজে চাহিদা বেশি

কানাডায় কৃষি ভিসায় যাওয়ার খরচ

কানাডা যাওয়ার খরচ বিভিন্ন রকমের হতে পারে, আপনি কোন মাধ্যমিক কানাডায় যেতে চান সেটার ওপরে নির্ভর করবে আপনার মূল খরচ। কারণ আপনি কৃষি ভিসা যদি আপনার নিকটস্থ কোন মানুষের সাথে যেতে চান তাহলে সে ক্ষেত্রে অল্প টাকার মধ্যে আপনি কানাডায় কৃষি বিষয়ে যেতে পারবেন। আবার আপনি যদি বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে কানাডা ভিসার জন্য যেতে চান তাহলে এক্ষেত্রে অনেক খরচ পড়ে যাবে। পাঁচ থেকে সাত লক্ষ টাকার মতো খরচ হবে বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে কানাডায় কৃষি ভিসা নিতে হলে। যদিও বেসরকারি থেকে সরকারি এজেন্সি বা বোয়েসেল কিন্তু এজেন্সি গুলো থেকে নিলে খরচ অনেকটাই কম হব।

কানাডা কৃষি ভিসায় সুযোগ সুবিধা

কানাডায় কৃষি ভিসা গিয়ে অন্যান্য দেশের তুলনায় সব ঠিক দিয়ে বেশি সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে। কেননা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই কানাডা দেশটি সত্যিই অনেক চমৎকার। এখানকার মানুষ এবং আইন খুবই ভালো। কানাডায় কৃষি ভিসা নিয়ে এসে আপনি কাজ করার পাশাপাশি এখানে সেটেল হয়ে যাওয়ার চিন্তাও করতে পারেন। বাংলাদেশে অনেক নাগরিক এখানে কৃষি বিষয়ে এসে আর দেশে যাওয়ার চিন্তা মাথায় আনে না। কারণ এশিয়ার চেয়ে সব দিক দিয়ে অনেক উন্নত কানাডা। এছাড়াও কানাডায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশী প্রবাসীদের অনেক রকম ভাবে সাহায্য করে যা অন্য দেশে একটু কম দেখা যায়।

কানাডায় কৃষি কাজের লিস্ট

মৎস্য পালন
চা বাগানে
ফুল গাছ সংরক্ষণ
জৈব কীটনাশক উৎপাদনে
গবাদি পশুপালন
স্ট্রবেরি বাগানে
ফল বাগান
টমেটো রিসাইকেল
বাগানবাড়ি
ফুড প্যাকেজিং

কানাডায় কৃষি কাজের চাহিদা কেমন

কানাডায় কৃষি কাজের চাহিদা প্রচুর, কেননা কানাডায় কৃষি জমি অনেক রয়েছে। এবং সে দেশের মানুষ অনেক বেশি উন্নত হয় কৃষি কাজগুলোকে তেমন গুরুত্ব দেয় না। এবং বেশিরভাগ মানুষ কিসের কাজ করা তেমন সময় পায় না যার কারণে এশিয়া থেকে অনেক শ্রমিক কানাডায় নিয়ে গিয়ে তাদের জমিতে কৃষি কাজ করে । কৃষি কাজের ব্যাপক ধরনের চাহিদা রয়েছে কানাডায়। অনেক বড় একটি দেশ পৃথিবীর মধ্যে আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। এ দেশের জমিনে অনেক দুর্বল হয় কৃষি কাজের ব্যাপক ধরনের উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কানাডা সরকার। যেগুলো পরিচালনা করার জন্য এশিয়া থেকে শ্রমিক নিয়ে তাদের দেশে কৃষি কাজ।

কানাডা কৃষি ভিসা নিয়ে সতর্কতা

আপনারা অনেকেই কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কাজ করার লক্ষ্যে থাকেন। তাদের ক্ষেত্রে একটু সচেতনতা দিতে চাই যে কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কিসে কাজ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ না করাটাই ভালো। কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যদি কিসে কাজ করতে চান তাহলে ব্যাপারটা একটু কঠিন, আপনি একজন স্টুডেন্ট হয়ে সেখানে কিসে কাজ করতে হলে আপনাকে প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট ঘন্টার বেশি কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে না। তাই যে কোন একটা উদ্দেশ্য নিয়ে কানাডায় যাওয়ার চেষ্টা করবেন।

আরো পড়ুনঃ  জাপান যেতে কত টাকা লাগে ২০২৩-জাপান যেতে বয়স কত লাগে

প্রতারক চক্র ব্যাপকভাবে ফাঁদ পেতে বসে থাকে কানাডা কৃষি ভিসার জন্য, বাংলাদেশে অনেক মানুষকে কানাডায় কৃষি ভিসাদেয়ার জন্য বিপুল পরিমাণ টাকা দিয়ে চুক্তিপত্র করে এবং পরবর্তীতে তাদেরকে লিবিয়া বা অন্য সাধারণ কোন দেশে পাঠিয়ে দেয় এবং তাদের আরো কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না। তাই অবশ্যই কানাডায় কিসের ভিসা নিতে হলে আপনাকে সাবধান থাকতে হবে। সতর্কতার সাথে কাজ করতে হবে নতুবা আপনি বিপদে পড়বেন।