কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৩ কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৩ এবং কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং নিয়ে আজকে আমরা আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করব। আলোচনা থেকে আপনারা জানতে পাবেন কানাড়া স্টুডেন্ট ভিসা সম্পর্কে সকল তথ্য। যেমন, কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার খরচ কত। কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার যোগ্যতা। কানাডা স্টুডেন্ট স্পাউস ভিসা। কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা কত টাকা লাগে ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৩

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৩। ২০২৩ সালে অনেকেই রয়েছেন যারা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কানাডা যাবেন বা যেতে আগ্রহী। আজকের কনটেন্ট এ আমরা কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরব। আজকের এই কন্টেন্টের মাধ্যমে আপনারা কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার আপডেট তথ্যগুলো জানতে পারবেন। আজকের এই কন্টাক্ট এর মাধ্যমে ২০২৩ সালের সকল আপডেট বিষয়গুলো জানানো হবে, ২০২৩ সালে কিভাবে বাংলাদেশ থেকে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে কানাডায় যাবেন, কিভাবে আবেদন করবেন এবং কিভাবে সরকারি ভাবে কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন সেই সকল বিষয়গুলো আমরা আলোচনা করব।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা খরচ

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসায় খরচ মূলত সাত লক্ষ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে। তবে স্টুডেন্ট ভিসা পাবার জন্য অনেকগুলো সিস্টেম রয়েছে আপনি যে সিস্টেমটি ফলো করতে যাচ্ছেন সেটার উপরেই আপনার খরচ নির্ভর করবে। এছাড়াও আপনি যদি অসাধু বা দালাল চক্রের সাথে যোগাযোগ করেন আপনার খরচ বেশি হবে সেই সাথে আপনার প্রতারণা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তবে স্বাভাবিকভাবে সরকারিভাবে স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা যেতে হলে আপনার সর্বোচ্চ ৫লক্ষ টাকা খরচ হতে পারে।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা যোগ্যতা

কারণে স্টুডেন্ট ভিসা হয় যেতে হলে অবশ্যই যোগ্যতা বাধ্যতামূল। যোগ্যতা ছাড়া সাধারণভাবে আপনি কখনো কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন না। এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আইএলটিএস কোর্স। অনেকেই অল্প আইডিএস কোর্স থাকা সত্ত্বেও কানাডায় ভিসার জন্য আবেদন করে। এটি একেবারেই ভুল সিদ্ধান্ত। কমপক্ষে ৬ পয়েন্টের নিচে কানাডা স্টুডেন্ট আবেদন করা যাবে না।

আরো পড়ুনঃ  আমেরিকা টুরিস্ট ভিসা ২০২৩-আমেরিকার টুরিস্ট ভিসা প্রসেসিং ও খরচ

এছাড়া আপনি যেই বিশ্ববিদ্যালয় কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন করতে চাচ্ছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের চাহিদা অনুযায়ী সকল রিক্রুটমেন্ট আপনাকে দিতে হবে। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আপনার দেশে শিক্ষাগত যোগ্যতার উপর ভিত্তি করে আপনাকে মূল্যায়ন করবে আবার কিছু বিশ্ববিদ্যালয় আপনাকে তৎক্ষণাৎ পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন করতে পারে। তাই আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে চাচ্ছেন সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্ভর করবে আপনার যোগ্যতা।

কানাডায় স্টুডেন্ট স্পাউস ভিসা

কানাডায় লেখাপড়ার জন্য আপনি বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পাউস ভিসা পেয়ে যাবেন।স্পাউস  শব্দের মূল অর্থ হল সঙ্গী বা সঙ্গিনী। অর্থাৎ কোন শিক্ষার্থী কানাডায় লেখাপড়ার জন্য গেলে তার বউ অথবা স্বামীকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পদ্ধতিটাই হলো স্পাউস ভিসা। এবং এই ভিসাটি কানাডার বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। তবে কিছু লোকাল বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেগুলোতে এরকম সিস্টেমগুলো নেই।

আরো পড়ুনঃ  কানাডা গার্মেন্টস ভিসা-কানাডা গার্মেন্টস ভিসা প্রসেসিং

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি

কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অথবা স্কলারশিপ এর মাধ্যমে উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডায় যাওয়াকে স্টুডেন্ট ভিসা বলে থাকি। কারণে স্টুডেন্ট ভিসা করার জন্য অনেকেই এজেন্সির থেকে সাহায্য নিয়ে থাকি। বাংলাদেশের অনেক এজেন্সি রয়েছে যে সকল এজেন্সি গুলো কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা প্রসেসিং করে থাকেন। কানাডা যাওয়ার জন্য বেশ কয়েক রকম পদ্ধতি রয়েছে। আপনি চাইলে কানাডা ভিসা এজেন্সির মাধ্যম দিয়ে কানাডা যেতে পারেন। আপনি যদি ভিসা এজেন্সির মাধ্যমে যান তবে আপনাকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। অনেকেই রয়েছে যারা এজেন্সির নাম করে বা অবৈধ এজেন্সি হিসেবে অর্থ নিয়ে থাকে। তাই আপনাদের সকলের এ বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরী।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা কত টাকা লাগে

পাঁচ  থেকে সাত লক্ষ টাকার মধ্যে কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যায়। তবে আপনি কোন মাধ্যমে আপনার স্টুডেন্ট ভিসা ঠিক করাতে চাচ্ছেন সেটার উপরে নির্ভর করবে আপনার খরচ কতটা হবে। মনে করে আপনি একটি দালাল চক্রের মাধ্যমে কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা আবেদন করছেন, এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মত খরচ হবে। তবে আপনি যদি একজন সচেতন নাগরিক হয়ে থাকেন তাহলে আপনি সরাসরি সরকারি এজেন্সি গুলো থেকে খুব সহজেই অল্প টাকায় কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন। এক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই কম হবে।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ব্যাংক স্টেটমেন্ট

কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসার জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ না। তবে আপনার যদি একটি সচল ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখাতে পারেন সে ক্ষেত্রে খুবই ভালো। কানাডার কিছু বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেগুলো ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ডকুমেন্ট চাই। তবে বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর প্রয়োজন হয় না।

আরো পড়ুনঃ  অস্ট্রেলিয়া স্পন্সর ভিসা-অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার উপায়

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো নিম্নে উল্লেখ করা হলো। কাগজপত্র বা ডকুমেন্ট আমাদের সর্বক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়ে থাকে। ডকুমেন্টস এমন একটি বিষয় যেটার ভুলের কারণে আমরা অনেক সময় পাওয়া জিনিসও হারিয়ে ফেলি। তাই আমাদের সকলের উচিত ডকুমেন্টস এর দিকে বিশেষভাবে নজর দেওয়া। যেকোন কাজের পূর্বে আমরা ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করে তারপরে কাজ শুরু করব। চলুন জেনে নেওয়া যাক কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে।

  1. প্রথমত আপনার একটি পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে। তাতে কমপক্ষে ছয় মাসের বেশি মেয়াদ থাকতে হবে।
  2. ইংরেজি ভাষার উপর দক্ষতা থাকতে হবে এবং আইইএলটিএস এর স্কোর সর্বনিম্ন ৬ হতে হবে।
  3. Nid card ও জন্ম নিবন্ধন এর প্রয়োজন হবে।
  4. এসএসসি ও এইচএসসি বা অনার্স পরীক্ষার সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন হবে।
  5. আপনি যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়েছেন সেই প্রতিষ্ঠানের কাছে থেকে প্রশংসা পত্র নিবেন কারণ প্রশংসাপত্রের প্রয়োজন হবে।
  6. ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর প্রয়োজন হবে।
  7. মেডিকেল রিপোর্টের প্রয়োজন হবে।
আরো পড়ুনঃ  ওমানে কোন কাজে বেতন বেশি-ওমানে কোন কাজে চাহিদা বেশি

এছাড়াও ও আপনার অন্যান্য ডকুমেন্ট এর প্রয়োজন হতে পারে। আপনি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার পূর্বে আপনি তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে বিস্তারিত তথ্য জেনে নেবেন। তাহলে আপনারা বুঝতে পারবেন আরো অন্যান্য কোন ডকুমেন্ট এর প্রয়োজন হবে কি হবে না সে সম্পর্কে।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ফ্রম বাংলাদেশ

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য অবশ্যই স্টুডেন্ট ভিসা ফরমে অ্যাপ্লিকেশন করতে হয়। এপ্লিকেশন ছাড়া কোন দেশে ভিসা পাওয়ার সম্ভাব না । এবং অ্যাপ্লিকেশনটি অবশ্যই নির্ভুল হওয়া প্রয়োজন। কানাডা স্টুডেন্ট ভিসার ফর্ম পাওয়া যাবে যে কোন এজেন্সিতে। সরকারি অথবা বেসরকারি যেকোনো জায়গা থেকে আপনি সংগ্রহ করতে পারবেন স্টুডেন্ট ভিসা। তবে সবথেকে দ্রুত এবং সুন্দরভাবে সরকারি এম্বাসি গুলো থেকেই কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পেতে পারেন।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ২০২৩,
      কানাডা লাইব্রেরী

বাংলাদেশে কানাডার এম্বাসি কোথায়

বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি কানাডা এম্বাসি রয়েছে, এগুলোর মধ্যে কিছু সরকারি এবং বাকিগুলো বেসরকারি।বেশিরভাগ এম্বাসিগুলোই ঢাকায় অবস্থিত। বাংলাদেশে অবস্থিত কানাডা এম্বাসি গুলোর সব থেকে দ্রুত খুঁজে নেওয়ার জন্য আপনি গুগল ম্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে সবচেয়ে দ্রুত এবং সুন্দরভাবে বাংলাদেশে অবস্থিত কানাডা এম্বাসি সম্পর্কে জানতে পারবেন।

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা হতে কত সময় লাগে

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে প্রসেসিং হয়ে যায়। তবে রিকুমেন্ট জনিত কোন সমস্যা থাকলে সে ক্ষেত্রে একটু বেশি সময় লাগতে পারে। এছাড়া অনেকের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট করতে একটু সমস্যা হয়। যাদের এ ধরনের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে অনেক লম্বা সময়ও লেগে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমরা বুঝতে পারছি যে ডকুমেন্টসগুলোতে কোন সমস্যা থাকলে ভিসা হতে অনেক সময় লেগে যায়। তবে আপনার যদি সকল ডকুমেন্টগুলো সঠিক থাকে তাহলে আপনি খুব দ্রুত সময়ে

আরো পড়ুনঃ  জর্ডান গার্মেন্টস ভিসা ২০২৩ | জর্ডান গার্মেন্টস ভিসা বেতন কত

কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের লিস্ট

কানাডায় অনেক দেশ হতে উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ছাত্রছাত্রীরা এসে থাকেন। কানাডা তে যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রয়েছে সেগুলো অনেক উন্নত। এই সকল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে চান্স পেতে হলে অনেক ভালোভাবে পড়াশোনা করতে হয়। বিশেষ করে ইংলিশে খুব বেশি দক্ষতা থাকা প্রয়োজন। কানাডা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর কিছু লিস্ট নিচে উল্লেখ করা হলো।

কানাডা বিশ্ববিদ্যালয়ের লিস্ট
ইউনিভার্সিটি অফ টরেন্টো
ইউনিভার্সিটি অফ ব্রিটিশ কলম্বিয়া
ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটি
ম্যাকগিল ইউনিভার্সিটি
ইউনিভার্সিটি অফ অটোয়া
ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালগারি
ইউনিভার্সিটি অফ আলবার্টা
ইউনিভার্সিটি অফ মন্ট্রিল
ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াটারলু
ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি
অটোয়া বিশ্ববিদ্যালয়
নিউফাউন্ডল্যান্ড মেমোরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাপিলানো বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি
ওয়াটারলু বিশ্ববিদ্যালয়

আরো অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে কানাডা তে। আমরা মূলত কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় এর নাম তুলে ধরেছে। যে সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনেক বেশি উন্নত। এই সকল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিভিন্ন দেশ থেকে ছাত্রছাত্রী এসে থাকেন শুধুমাত্র পড়াশোনা বা উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য।

সরকারিভাবে কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা

কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে সকলেরই জানার আগ্রহ প্রবল, তবে অনেকেই জানতে চাই কানাডায় সরকারিভাবে কিভাবে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যায়। আসলেই কি সরকারিভাবে কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যায়, হ্যাঁ বন্ধুরা কানাডায় সরকারিভাবে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যায়। তবে এক্ষেত্রে বেশ কিছু রিক্রুটমেন্ট  রয়েছে যেগুলো আপনি সঠিকভাবে প্রদান করতে পারলে সরকারিভাবে স্টুডেন্ট ভিসা পেয়ে যাবেন।

আরো পড়ুনঃ  কানাডা কাজের ভিসা ২০২৩, কানাডা ওয়ার্ক পারমিট প্রসেসিং

সরকারিভাবে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য মৌসুম ভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সার্কুলার দিয়ে থাকে। সার্কুলার অনুযায়ী বাংলাদেশ বোয়েসেল কৃতক আপনি আবেদন করতে পারবেন। বাংলাদেশ সরকারি এজেন্সি গুলো থেকে আপনি আবেদন করার পর যদি আপনার যোগ্যতা অনুযায়ী সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির জন্য সুযোগ পান তাহলে অবশ্যই ভিসা পেয়ে যাবেন।

তবে সরকারি ভাবে কানাড়া স্টুডেন্ট ভিসা পেতে হলে আপনাকে অনেক প্রতিদ্বন্দিতা করতে হবে। কারণ কানাডার মত একটি দেশে পড়ার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চায়না সরকারিভাবে। তাই আই এল টি এস কোর্স সহ অন্যান্য দক্ষতা গুলো আপনাকে বাড়িয়ে নিতে হবে নিজ উদ্যোগে। তবে আপনি সরকারিভাবে কানাডায় স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন।

আইএলটি ছাড়া কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়া যায়?

অনেকের মনে একটি প্রশ্ন থেকে থাকে যে আইএলটিএস ছাড়া কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা কি পাওয়া যায়? এ প্রশ্নের উত্তর খুবই সোজা স্বাভাবিকভাবেই বলা যায় আপনি একটি উন্নত রাষ্ট্রে গেলে আপনাকে অবশ্যই ইংরেজিতে কথা বলার এবং ইংরেজি কথা বোঝার সামান্য দক্ষতা থাকতে হবে তা না হলে আপনি নতুন একটি দেশে গিয়ে সে পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতে পারবেন না সে কারণে সেই দেশের ভাষার সঙ্গে অবশ্যই আপনার সামঞ্জস্য থাকা প্রয়োজন। যার কারণে কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য আই এলটিএস কোর্স করা বাধ্যতামূলক। শুধু বাধ্যতামূলক নয় কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য আপনাকে আই এল টি এস কোর্স সর্বনিম্ন ৬.৫ পয়েন্ট থাকতে হবে। এর থেকে কম পয়েন্ট নিয়ে আপনি কখনোই কানাডা স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন না।

Usajobpoint একটি বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে দেশ বিদেশের চাকরির খবর ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলা ভাষার মাধ্যমে সঠিক তথ্য পৌছে দেয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

Leave a Comment

You cannot copy content of this page