দুবাই টেক্সি ভিসা এবং দুবাই ট্যাক্সি জবে বেতন কত

দুবাই টেক্সি ভিসা
দুবাই টেক্সি ভিসা

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে দুবাই এর সব ধরনের ভিসা পাওয়া যাচ্ছে এক্ষেত্রে দুবাই ট্যাক্সি ভিসা ও দুবাই ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সহ অন্যান্য আরো ভিসা নিয়ে দুবাইতে কাজে যেতে পারবেন এক্ষেত্রে আগের তুলনায় ভিসা জটিলতা অনেকটাই সহজ হয়েছে। তবে দুবাই ভিসা নিতে হলে অবশ্যই আপনার ড্রাইভিং এক্সপেরিয়েন্স থাকতে হবে। তারপরে আপনি দুবাইয়ের ভিসা নিতে পারবেন।

দুবাই যেকোনো ধরনের ড্রাইভিং ভিসা তে কাজ করার জন্য অবশ্যই আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে তা না হলে ডাইভিংয়ে কাজ করার সুযোগ করতে পারবেননা দুবাইয়ে। দুবাই ট্যাক্সি এবং দুবাইয়ের যদি অন্যান্য কোম্পানির গাড়ি চালানোর জন্য আপনি দুবাইয়ে যেতে চান তাহলে প্রথম অবস্থায় আপনাকে দুবাইয়ে ড্রাইভিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

তারপরে আপনি দুবাইয়ের বিভিন্ন কোম্পানিতে অথবা নিজেই ট্যাক্সি কমিশনে চালাতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে অবশ্যই আপনাদেরকে জানতে হবে যে দুবাই ড্রাইভিং স্কুল রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনারা যে সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন সেই সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে ড্রাইভিং স্কুল সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জেনে নিতে পারবেন তাছাড়া নিচে তুলে ধরব কোথায় কিভাবে শিখতে পারবেন।

কেন দুবাই ট্যাক্সি ভিসাতে যাবেন

দুবাই ট্যাক্সি ভিসার মাধ্যমে যদি বাংলাদেশ থেকে যেতে পারেন তাহলে অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা পাবেন এবং সেইসাথে ভালো পরিমাণ বেতন তুলতে পারবেন। এবং নিজের ইচ্ছা অনুযায়ী আপনি যেকোনো সময় কাজে নিয়োজিত থাকতে পারবেন। সেইসাথে অন্যান্য কাজের তুলনায় আপনি এখানে বেশি পরিমাণ সময় নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে নিতে পারবেন।

এবং থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা কিন্তু নিজেকেই বহন করা লাগে এই ক্ষেত্রে আপনি কম খরচের মধ্যেও সবকিছু মানিয়ে নিতে পারবেন এবং আপনার কোন ধরনের কাজের চাপ থাকবে না এক্ষেত্রে আপনি যতটুকু সময় কাজ করবেন ততটুকু সময় আপনি ইনকাম করতে পারবেন এক্ষেত্রে আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী এখানে কাজ করার একটি সুযোগ রয়েছে।

দুবাই ট্যাক্সি ভিসাতে বেতন কত

দুবাই ট্যাক্সি চালানোর কাজ করলে মাসে ৭০ হাজার টাকা থেকে এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে যারা ভালো পরিমাণ সময় দিয়ে ট্যাক্সি চালানোর কাজে নিয়োজিত থাকবে তাদের বেতন এর থেকেও বেশি তোলা সম্ভব। তবে দুবাই ট্যাক্সি চালানোর কাজ সাধারণত কমিশনের ভিত্তিতে করা হয়ে থাকে। এখানে নির্ধারিত বেতন প্রদান করা হয় না।

তবে করোনাকালীন সময়ে কিছুদিন যাবত বেতন কারণ তার মধ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য কান্ট্রি গুলোতে মানুষ চলাচল কম করেছিল কারণ লকডাউন চলছিল সেই সাথে আরও বিভিন্ন বিধি-নিষেধ দেওয়ার কারণেই মূলত সেই সময়ই দুবাই ট্যাক্সিচালকদের বেতন কম হতো। তবে বর্তমানে এখন আবার স্বাভাবিক পরিস্থিতি তবে এক্ষেত্রে আপনার কিছু জটিলতা আছে তা নিচে তুলে ধরলাম।

আরো পড়ুনঃ  কাতার ভিসা সেন্টার বাংলাদেশ | কাতার ভিসা সার্ভিস

দুবাই ট্যাক্সি ভিসা কিভাবে পাবেন

দুবাই ট্যাক্স অফিসার নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের যে সমস্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো রয়েছে তার সব এজেন্সি থেকেই আবেদন করতে পারবেন তবে এক্ষেত্রে আপনি যখন ট্যাক্সি ভিসার জন্য আবেদন করবেন তখন আপনার ড্রাইভিং এক্সপেরিয়েন্স আছে কিনা সেটা দেখা হবে এক্ষেত্রে যদি আপনি অভিজ্ঞ ড্রাইভিং এক্সপেরিয়েন্স তৈরি করতে পারেন তা হলে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এক্ষেত্রে যাদের এক্সপেরিএন্স নাই একেবারে নতুন তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু বিছা তৈরি হওয়ার জন্য মিনিমাম ছয় থেকে সাত মাস পরিমাণ সময় লাগে তবে এক্ষেত্রে যারা তাড়াতাড়ি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারবে এবং ভালোমতো গাড়ি চালানো শিখে নিতে পারবে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে।

অনেকে দেখা যাচ্ছে যারা পূর্বে দুবাইয়ে ড্রাইভিং পদে কাজ করেছে অথবা ট্যাক্সি চালক হিসেবে কাজ করেছে তাদের কিন্তু ভিসা পাওয়া তে খুব একটা ঝামেলা হয় না তারা খুব তাড়াতাড়ি দুবাইয়ের ট্যাক্সি  ভিসা পেয়ে যায়। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী বর্তমানে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে এবং পূর্বে যারা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু খুব সহজেই ভিসা পাওয়া যায়।

আরো পড়ুনঃ  বাহরাইন ভিজিট ভিসা ২০২৩-বাহরাইন ভিজিট ভিসা খরচ

তবে আপনাদের জেনে রাখা উচিত যে বাংলাদেশ থেকে যদি আপনারা দুবাই ট্যাক্সি ভিসা নিয়ে যেতে পারেন পরবর্তীতে সেখানে গিয়েও কিন্তু আপনাকে পুনরায় ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখানো লাগবে এবং সেইসাথে আপনাকে পরীক্ষা দেওয়া লাগতে পারে। তবে এক্ষেত্রে যদি আপনার এক্সপিরিয়েন্স এবং দক্ষতা থাকে তাহলে কিন্তু আপনার কাগজপত্র দেখে ও তারা পরীক্ষা নাও নিতে পারে।

দুবাই টেক্সি ভিসা

দুবাই ট্যাক্সি ভিসার দাম কত

দুবাই ট্যাক্সি ভিসার দাম ৩ লক্ষ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ পর্যন্ত হয়ে থাকে তবে এক্ষেত্রে আপনি যে সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে যাবেন তাদের মাধ্যমে জেনে নিতে হবে আপনি এই ভিসার মেয়াদ কতদিন পর্যন্ত পাবেন এবং পরবর্তীতে রিনিউ করতে পারবেন কিনা এই বিষয়ে ভালোমতো জেনে নিবেন। তবে কয়েকটি এজেন্সির সঙ্গে আপনারা যোগাযোগ করতে পারেন এটি শুধুমাত্র আমরা কয়েকটি এজেন্সি লক্ষ্য করে এই দামটি তুলে ধরেছি। অবশ্যই কয়েকটি এজেন্সির মাধ্যমে দেখেই আপনারা সিদ্ধান্ত নিবেন।

তবে অবশ্যই আপনারা সম্পূর্ণভাবে দালালের মাধ্যমে এড়িয়ে চলবেন এক্ষেত্রে দালালরা আপনাদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নিতে পারে এবং সেই টাকা হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকতে পারে তাই অবশ্যই আপনারা বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে দুবাই ট্যাক্সি ভিসা নেওয়ার চিন্তাভাবনা করবেন। তাহলে আপনার টাকা বিফলে না যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকবে এবং আপনি দুবাই এ গিয়ে আপনি স্বাচ্ছন্দে কাজ করতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ  কানাডা লেবার ভিসা ২০২৩-কানাডা লেবার বেতন কত

দুবাই ট্যাক্সি ভিসার আবেদন কিভাবে করবেন

আপনি যদি বিদেশে থাকেন তাহলে প্রথম অবস্থায় আপনাকে দুবাইয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রাইভিং ভিসা শিখতে হবে তারপরে আপনি ট্যাক্সির জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে তারপরেই আপনি দুবাইয়ে কাজ করতে পারবেন। তার আগে কিন্তু দুবাই আপনি ট্যাক্সি চালানোর কাজ করতে পারবেন না।

যারা বাংলাদেশ থেকে দুবাই ট্যাক্সি চালানোর কাজ করার জন্য যেতে চাচ্ছেন তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলাদেশের বিভিন্ন রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে দুবাই ট্যাক্সি ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে অবশ্য সরকার নিবন্ধিত যে সমস্ত এজেন্সি রয়েছে সে সমস্ত এজেন্সির সাথে অবশ্যই আপনাদের যোগাযোগ রাখতে হবে।

আরো পড়ুনঃ  রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক-রোমানিয়া সাবমিশন স্লিপ চেক

তাছাড়া বাংলাদেশে অবস্থিত বোয়েসেল অথবা টিটিসি কেন আপনার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ নিয়ে দুবাই শহ অন্যান্য দেশ গুলোতে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে নিতে পারবেন এবং তারা সেখান থেকে আপনাদেরকে জানিয়ে দিবে যে কোন কোন দেশে আপনারা ট্যাক্সি চালানোর কাজ করতে পারবেন। তাই প্রথম অবস্থায় আপনারা এই কয়েকটি প্রতিষ্ঠান দিয়ে খোঁজখবর নিতে পারেন।

সবথেকে ভালো হয় আপনার পরিচিত কোন ব্যক্তি যদি দুবাই অবস্থান করে এবং দুবাই ট্যাক্সি চালানোর কাজ করে তাদের মাধ্যমে যদি ভিসা কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন তাহলে সবথেকে ভালো হয় তবে অবশ্যই আপনি কোন অপরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে কোন ধরনের টাকা-পয়সা লেনদেন করবেন না এক্ষেত্রে অনেক ধরনের দালাল অথবা প্রতারক রয়েছে যারা কিনা আপনার সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত একটি সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারে পরবর্তীতে আপনাকে বিভিন্ন ধরনের আশ্বস্ত করে টাকা নিয়ে নিতে পারে তাই অবশ্যই বিষয়গুলো নিয়ে সাবধানতা অবলম্বন করবেন।

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *