বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার খরচ

বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার খরচ মূলত নির্ভর করে কিভাবে যাচ্ছেন তার উপর। বাংলাদেশ থেকে ভারতে বিমান পথে রেলপথে এবং সড়ক পথে যাওয়া যায়। বাংলাদেশ থেকে ভারতে সড়ক পথে যাওয়ার জন্য খরচ পড়ে ২ হাজার টাকা থেকে তিন হাজার টাকা পর্যন্ত। ট্রেনে পনেরশো টাকা থেকে দুই হাজার টাকা খরচ লাগে। বাংলাদেশ থেকে ভারতে বিমানে গেলে ২০ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ লাগে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার খরচ মূলত নির্ভর করে আপনি কতদিন সেখানে অবস্থান করবেন এবং কি মাধ্যমে যাচ্ছেন তার উপর। আপনি যদি টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যেতে চান সেক্ষেত্রে আপনার বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

এক্ষেত্রে যদি আপনি নিজের ইচ্ছায় সেখানে চিকিৎসা কাজ বা অন্যান্য কাজে যেতে চান তাহলে সেই অনুযায়ী খরচ হবে। বলতো আপনি যদি সড়ক পথে যান তাহলে দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা। আর আপনি যদি আকাশ পথে যান তাহলে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ লাগতে পারে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে সব ভাবেই ইন্ডিয়াতে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

সড়কপথে২ হাজার থেকে ৩হাজার টাকা।
রেলপথে১৫০০ থেকে ২হাজার টাকা।
আকাশ পথে১৫ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা।
নৌপথে১ হাজার টাকা থেকে ২ হাজার টাকা।
হোটেল খরচএকদিনের ১৫০০ টাকা।
ভ্রমণ ফিস্পট অনুযায়ী

যদি আপনি মেডিকেল ভিসা বা অন্যান্য কাজের উদ্দেশ্যে যেতে চান তাহলে কিন্তু খরচ ভিন্ন রকম হতে পারে। মূলত বাংলাদেশ থেকে কয়েক ভাবে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে একত্রে নদী পথে অথবা রেলপথে যেই পথে আপনি যান না কেন খুবই কম খরচের মধ্যেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া যায়।

বিগত বছরগুলোর তুলনায় খরচ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে এক্ষেত্রে বাসের ভাড়া এবং বিমান ভাড়া সহ সকল ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার খরচ অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে বর্তমানে মেডিকেল ভিসা অথবা টুরিস্ট ভিসা যে কোন ভিসার মাধ্যমেই বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার খরচ আগের তুলনায় অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে।

বর্তমানে ভিসা জটিলতা সহ আরো নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং ইন্ডিয়াতে বাঙ্গালীদের আনাগোনা অনেক অংশে কমে গিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়টি উল্লেখ করেছে যে বর্তমানে ভিসা জটিলতার কারণে এবং ডলারের বৃদ্ধ হওয়ার কারণেই মূলত বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়াতে যাওয়ার সংখ্যা আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার খরচ বিভিন্নভাবেই প্রদান করা যায় এক্ষেত্রে অনলাইনে অথবা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে আপনারা বিভিন্ন বিল পে করতে পারবেন এক্ষেত্রে ভিসা প্রসেসিং ফি এবং যাতায়াতের খরচ সহ সকল খরচ অনলাইন এর মাধ্যমে করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যাবতীয় টাকাগুলো মোবাইল ব্যাংকিং অথবা ব্যাংকিং সেক্টরের মাধ্যমে বর্তমানে প্রোভাইড করা যাচ্ছে।

বাংলাদেশ থেকে ভারত যেতে কি কি খরচ লাগে

বাংলাদেশ থেকে ভারতে যেতে পাসপোর্ট খরচ লাগে এবং ভিসা আবেদন করার জন্য ভিসা খরচ লাগে সেই সাথে বিভিন্ন কাগজপত্র উত্তোলন করার জন্য কিছু পরিমাণ খরচ করা লাগে। তবে আপনি মূলত কি উদ্দেশ্যে যাচ্ছেন এবং কোন পথে যাচ্ছেন তার উপর নির্ভর করে মূলত নির্ধারিত একটি খরচ উল্লেখ করা যেতে পারে।

যদি বাংলাদেশ থেকে আপনি বিমান পথে অথবা নৌপথে যে পথে যান না কেন মোটামুটি আপনাকে বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচ করা লাগবে। এখানে মূলত খরচ নির্ভর করে আপনি সেখানে কতদিন থাকবেন এবং কোন কোন কাজে আপনি সময় দিবেন তার ওপর বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে যাওয়ার পরে ইন্ডিয়াতেও কিন্তু বিভিন্ন মাধ্যমে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু ভিন্ন রকম খরচ প্রোভাইড করতে হয়।

তবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার পরে বিভিন্ন মাধ্যম গুলোতে যাওয়ার খরচ অনেকটাই কম সেক্ষেত্রে ট্রেনে বেশি যাতায়াত করা লাগে। এক্ষেত্রে খরচ অনেকটাই কম লাগে সে ক্ষেত্রে মোটামুটি দুই একদিনের জন্য খরচটাই এক থেকে দেড় হাজার টাকার মধ্যে বিভিন্ন জায়গাগুলোতে ঘুরতে পারা যায়।

ভারতে কত টাকা নিয়ে যাওয়া যায়

ভারতে যাওয়ার সময় নগদ ১০ হাজার টাকা সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকে। এর থেকে বেশি পরিমাণ টাকা নিয়ে গেলে ভারতীয় কাস্টমস খুব ঝামেলা করে থাকে। এক্ষেত্রে ডলার নিয়ে যাওয়ায় সব থেকে ভালো। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রা আইনে 10 হাজার টাকা পর্যন্ত বহন করার অনুমতি থাকে।

বিদেশ ভ্রমনে কত টাকা সাথে নেয়া যায়

বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রা আইনের নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় নগদ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি থাকে। তবে ডলার নিয়ম অনুযায়ী এর থেকে বেশি পরিমাণও নিয়ে যাওয়া যায় তবে বেশি পরিমাণ ডলার নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কিন্তু ভারতীয় কাস্টমস ঝামেলা করে থাকে।

Usajobpoint একটি বাংলা ব্লগিং প্লাটফর্ম। এখানে দেশ বিদেশের চাকরির খবর ও প্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন জানা-অজানা তথ্য প্রকাশ করা হয়। বাংলা ভাষার মাধ্যমে সঠিক তথ্য পৌছে দেয়াই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

Leave a Comment

You cannot copy content of this page