রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক-রোমানিয়া সাবমিশন স্লিপ চেক

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক
রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক
Contents show

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক ও রোমারিয়া সাবমিশন স্লিপ চেক ইত্যাদি নিয়ে আজকে আমরা আপনাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করব। এখান থেকে আপনারা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়ে যাবেন। আপনারা যারা রোমানিয়া যেতে চান তাদের জন্য এই সকল তথ্যগুলো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যেমন, রোমানিয়া ভিসা চেক করার নিয়ম।

ভিসা নাম্বার দিয়ে রোমানিয়া ভিসা চেক, সকল ওয়েবসাইট গুলো থেকে রোমানিয়া ভিসা চেক করতে পারবেন তা সম্পর্কে কিছু তথ্য। রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক ইত্যাদি সম্পর্কে আজকে আমাদের এই কনটেন্ট এ বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। চলুন সে সকল বিষয়গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আসি।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে নিজে নিজেই চেক করে নিতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একটি ব্রাউজার ওপেন করতে হবে। তারপরে এই www.evisa.gov.md/check-my-visa/ এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। তারপরে ভিসা নাম্বার এবং ক্যাপচার কোড বা ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে আপনি আপনার ভিসা চেক করতে পারবেন।

তবে অবশ্যই আপনার ভিসা নাম্বারটি সঠিক আছে কিনা সেটি যাচাই-বাছাই করবেন এবং যে ক্যাপসা ভেরিফিকেশনের কথা বলা হয়েছে সেটি অবশ্যই সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে তারপরেই আপনি রোমানিয়া ওয়ার পারমিট ভিসা সহ অন্যান্য যেকোনো ধরনের ভিসা আপনারা এই ওয়েবসাইট থেকে চেক করে নিতে পারবেন তবে অবশ্যই উপরুক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখতেই হবে।

কিভাবে বুঝবেন রোমানিয়া ভিসা অরজিনাল নাকি নকল

রোমানিয়া ভিসা আপনারা বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে ভিসা চেক করে নিতে পারবেন। তখন আপনারা বুঝতে পারবেন আপনার ভিসা অরজিনাল নাকি নকল তা। আপনার যে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রোমানিয়া ভিসা চেক করবেন সেখানে আপনাদের ভিসা নাম্বার দিতে হবে এবং ক্যাপচার কোড দিয়ে সাবমিট করবেন। তারপরে আপনার ভিসাতে সিএমপি নাম্বার রয়েছে সেটি দিয়ে লগইন করবেন। তারপর আপনি নেক্সট অথবা ইন্টারনেট বাটনে ক্লিক করবেন।

আরো পড়ুনঃ  জাপানের নাগরিকত্ব পাওয়ার উপায় ( নতুন নিয়ম )

তাহলে আপনি দেখতে পাবেন আপনার কোম্পানির নাম এবং ডিটেলস। কোম্পানির নামের উপর ক্লিক করলে আপনারা সেই কোম্পানি এর সকল তথ্য দেখতে পাবেন। সেখানে কোম্পানির নাম, ইকুইড নং, রেজিস্টাই নাম্বার এই সকল কিছু চেক করে নিতে পারবেন। তারপরে আপনারা পাবলিক profile অপশনটিতে ক্লিক করবেন তারপরে একটু নিচে যাওয়ার পরে Technical services and assistance এখান থেকে ইমেইল অথবা চ্যাটের মাধ্যমে আপনি আপনার ভিসাটি চেক করে নিতে পারেন।

উপরে যে সকল কথাগুলো উল্লেখ করা হলো সেগুলো যদি আপনার না আসে তাহলে আপনার ভিসাটি অরিজিনাল না। সে ক্ষেত্রে আপনার ভিসার কোনো না কোনো সমস্যা রয়েছে। তাই সকলেই অনলাইন এর মাধ্যমে রোমানিয়া যাবার পূর্বে ভিসা চেক করে নেবেন।

রোমানিয়া ভিসা চেক করার সুবিধা

রোমানিয়া ভিসা চেক করার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনি বড় রকম কোন সমস্যার সম্মুখীন না হওয়া। ভিসা চেক না করে আপনি যদি রোমানিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হোন অথবা রোমানিয়া নকল ভিসা নিয়ে পৌঁছান তাহলে পরবর্তী সময়ে আপনাকে অনেক বড় রকমের সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। সে ক্ষেত্রে আপনাকে জেল অথবা জরিমানা করা হতে পারে।

আরো পড়ুনঃ  সিঙ্গাপুর ট্রেনিং সেন্টার -সিঙ্গাপুর ট্রেনিং খরচ কত

বর্তমান সময়ে যেহেতু অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই কম সময়ে ভিসা চেক করা সম্ভব সুতরাং আমাদের সকলের উচিত অনলাইনের মাধ্যমে ভিসা চেক করে নেওয়া। তাহলে পরবর্তী সময়ে আমরা কোনরকম সমস্যার সম্মুখীন হব না। আর ভিসা যদি নকল হয় তাহলে আমরা তা যাবার পূর্বে জানতে পেরেছি এবং যে এজেন্সি থেকে ভিসা নিয়েছে তার বিরুদ্ধে কিছু করতে পারবো।

রোমানিয়া ভিসা চেক অনলাইন এর মাধ্যমে

রোমানিয়া ভিসা চেক বর্তমান সময়ে উন্নয়নের মাধ্যমে করা সম্ভব। বর্তমান সময়ে অনলাইনে সবকিছু খুব সহজেই দ্রুত সময়ে করা যায়। আপনি মাত্র কয়েক মিনিটেই আপনি আপনার ভিসা চেক করে নিতে পারবেন অনলাইন থেকে। আপনি নিজেও ভিসা চেক করে নিতে পারবেন অথবা আপনি যদি অনলাইনে দক্ষ না হয়ে থাকেন তাহলে আপনি কম্পিউটার দোকান থেকে ভিসা চেক করে নিতে পারেন। অথবা যারা অনলাইনে দক্ষ তাদের মাধ্যমে ও আপনি আপনার ভিসা চেক করে নিতে পারেন।

ভিসা নম্বর দিয়ে রোমানিয়া ভিসা চেক

ভিসা নাম্বার দিয়ে ভিসা চেক করার প্রসেসটি অনেক সহজ। অনলাইনের মাধ্যমে আপনি আপনার ভিসা নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই ভিসা চেক করে নিতে পারেন। ভিসা চেক করার জন্য যে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে সেই ওয়েবসাইটের লিংক আমরা আমাদের কনটেন্ট এ বিভিন্ন জায়গায় দিয়ে দিয়েছি। সেই সকল জায়গা গুলো থেকে আপনারা লিংকে প্রবেশ করে ভিসা নাম্বার দিয়ে খুব সহজেই আপনার ভিসা চেক করে নিতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ  সৌদি আরবের বিমান চলাচলের খবর

রোমানিয়া ভিসা চেক করার ওয়েবসাইট

রোমানিয়া ভিসা চেক করার ওয়েবসাইট হল। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনারা যে কোন দেশের ভিসা চেক করে নিতে পারবেন। তেমনি ভাবে আপনারা ও খুব সহজে অন্যায়নের মাধ্যমে রোমানিয়া ভিসা চেক করতে পারবেন এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এই ওয়েবসাইট থেকে আপনারা আপনাদের ভিসা চেক করে বুঝতে পারবেন আপনার ভিসা আসল নাকি নকল সে সম্পর্কে।

ভিসা চেক করার প্রসেসটি অনেক সহজ। প্রথমত আপনি এই ওয়েব সাইটে প্রবেশ করবেন তারপরে আপনার ভিসা নাম্বার এবং একটি ক্যাপচার কোড এর অপশন আসবে সেখানে ক্যাপচার করে দিবেন তারপরে চেক অপশন এ ক্লিক করবেন। তাহলে আপনি আপনার ভিসা সংক্রান্ত তথ্য দেখতে পারবেন।

সহজ উপায়ে রোমানিয়া ভিসা চেক করার নিয়ম

সহজ উপায়ে রোমানিয়া ভিসা চেক করতে হলে আপনাকে অনলাইন এর সাহায্য নিতে হবে। অনলাইনের মাধ্যমে সবথেকে সহজে এবং কম সময়ে যেকোনো দেশের ভিসা চেক করা সম্ভব। তেমনি ভাবে আপনিও অনলাইনের মাধ্যমে রোমানিয়া ভিসা চেক করে নিতে পারবেন। রোমানিয়া ভিসা কিভাবে চেক করবেন তা আমার নিচে উল্লেখ করেছি সেখান থেকে আপনারা দেখে নিতে পারেন।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক
রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চেক
আরো পড়ুনঃ  অস্ট্রেলিয়া টুরিস্ট ভিসা-অস্ট্রেলিয়া ভিসা প্রসেসিং

রোমানিয়া সাবমিশন স্লিপ চেক

রোমানিয়া সাবমিশন স্লিপ এর মাধ্যমে আপনারা আপনাদের ভিসা চেক করে নিতে পারবেন। আপনারা ই-মেইল অথবা চ্যাটিং এর মাধ্যমে আপনাদের ভিসা সঠিক নাকি ভুল সে সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনারা সরাসরি তাদের মেইল করতে পারেন তারা আপনার মেইল এর উত্তর খুবই দ্রুত সময়ে দিয়ে দিবে সে ক্ষেত্রে আপনারা বুঝতে পারবেন আপনার ভিসা অরজিনাল নাকি নকল।

রোমানিয়া স্টুডেন্ট ভিসা চেক

রোমানিয়াতে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে অনেকেই উচ্চশিক্ষার জন্য যেয়ে থাকেন। যে কারণে অনেকেই রোমানিয়াতে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যাবার পূর্বে কিভাবে রোমানিয়া স্টুডেন্ট ভিসা চেক করতে হয় সে সম্পর্কে জানতে চান। রোমানিয়া স্টুডেন্ট ভিসা চেক করতে হলে অবশ্যই আপনাকে একটি বাজারের মাধ্যমে একটি নতুন ট্যাব নিয়ে এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

তারপর আপনি আপনার ভিসা নাম্বার এবং ক্যাপচার কোড দিয়ে সাবমিট করার পরে আপনি আপনার ভিসা চেক করতে পারবেন। যেই ভিসা কোডটি দিতে হবে সেই ভিসা করতে আপনি আপনার ভিসাতে পেয়ে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা জানতে পারবেন আপনার রোমানিয়া ভিসাটি আসল নাকি নকল।

রোমানিয়া টুরিস্ট ভিসা চেক করার নিয়ম

রোমানিয়া টুরিস্ট ভিসা চেক করতে হলেও আপনাকে সর্বপ্রথম একটি ব্রাউজার ওপেন করে নিতে হবে। যে ব্রাউজার মাধ্যমে আপনারা আপনাদের ভিসা খুব সহজেই অনলাইনের মাধ্যমে ঘরে বসে নিজে নিজেই চেক করে নিতে পারবেন। বর্তমান সময়ে অনলাইনের মাধ্যমে সব কিছু অনেক সহজেই করা যায়। তেমনি ভাবে আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে ও যে কোনো দেশের ভিসা চেক করে নিতে পারেন। ভিসা চেক করার জন্য আপনারা এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ  দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসা খরচ এবং আবেদন প্রক্রিয়া

রোমানিয়া ভিসা চেক করার পাসপোর্ট নাম্বার

ভিসাতে একটি নাম্বার দেওয়া থাকে যে নাম্বারের মাধ্যমে আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে ভিসা চেক করে নিতে পারবেন। ভিসা চেক করার জন্য অবশ্যই আপনাকে একটি ব্রাউজার ওপেন করতে হবে এবং অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ভিসা নাম্বার এবং ক্যাপচার কোড দিয়ে আপনাকে সাবমিট করতে হবে।

তারপরে আপনি আপনার ভিসা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য পেয়ে যাবেন এবং ভিসা চেক করতে পারবেন। সেখান থেকে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার ভিসা আসল নাকি নকল সে সম্পর্কে। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনারা আপনাদের ভিসা চেক করে নিতে পারবেন।

সিঙ্গাপুর কাজের বেতন কত-সিঙ্গাপুর বেতন তালিকা

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট চেকপ্রথম পাতা
রোমানিয়া ভিসা চেক করার ওয়েবসাইটরোমানিয়া ভিসা চেক করুন
রোমানিয়া ভিসা চেক অনলাইনwww.evisa.gov.md/check-my-visa/
রোমানিয়া ভিসা তথ্যরোমানিয়া এজেন্সি
রোমানিয়া এম্বাসি কোথায়রোমানিয়া এম্বাসি দিল্লি

রোমানিয়া ভিসা চেক নিয়ে প্রশ্নোত্তর

রোমানা ভিসা চেক করার ওয়েবসাইট?

রোমানিয়ার যেকোনো ধরনের ভিসা চেক করার জন্য www.evisa.gov.md/check-my-visa/এই ওয়েবসাইটে ভিজিট করে আপনারা পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে ভিসা চেক করতে পারবেন।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট পেতে কত দিন লাগে?

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে দুই মাস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ মাসের মধ্যেই ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহ করা যায়। তবে কোম্পানি এবং এজেন্সির উপরেই নির্ভর করে ভিসার সময়।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট দেখতে কেমন

অন্যান্য ওয়ার্ক পারমিট ভিসার মতোই রোমানিয়া ওয়ার পারমিট ভিসা। অন্যান্য ভিসাতে যেমন ওয়ার্ক ক্যাটাগরি এবং কোম্পানি বিস্তারিত দেওয়া থাকে ঠিক সেম ভাবেই রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিটেও দেখতে পাবেন।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৩-রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট এজেন্সি

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট
রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা: রোমানিয়া দেশটি  বর্তমান বিশ্বের এক অন্যতম নক্ষত্র। বিশেষ করে এশিয়া থেকে যে মানুষগুলো বিদেশে অভিগমন করে থাকে তাদের বেশিরভাগই বর্তমানে রোমানিয়াতে যাচ্ছে। কারণ বর্তমানে রোমানিয়া যেভাবে উন্নত হচ্ছে এবং তাদের নির্মাণাধীন কাজগুলোর জন্য শ্রমিক নিচ্ছে দেশের অন্য কোন দেশে তা নিচ্ছে না। তাই আজকে আমরা আমাদের এই কন্টেন্টের মাধ্যমে রোমানিয়া ভিসা সম্পর্কে জানানোর চেষ্টা করব।

রোমানিয়াতে কেন কাজে যাবেন

রোমানিয়া যাবার কথাটি শুনলে অনেকের মনে একটা প্রশ্ন আসে রোমানিয়া কেন যাব, এ প্রশ্নের উত্তরে বলা যায় আপনি যদি বিদেশে গিয়ে নিজের স্বপ্নগুলোকে বাস্তবায়ন করার চিন্তা মাথায় নিয়ে আসেন তাহলে আপনার জন্য রোমানিয়া দৃষ্টি একেবারে পারফেক্ট একটি দেশ। কারণ বর্তমান বিশ্বে দুইটি দেশের সর্বোচ্চ শ্রমিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে সেটি হল রোমানিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া। এ দুটি দেশের বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কর্মী নিয়োগ হচ্ছে। তবে সম্প্রীতি রোমানিয়া দৃষ্টি সেনজেনভুক্ত হওয়ার কারণে এখানকার আগ্রহ টা অনেক বেশি বেড়ে গেছে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৩

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২৩। পূর্বের বছরগুলোতে মানুষ যেভাবে রোমানিয়া যাচ্ছিল তার থেকে অধিক পরিমাণে বেশি আবেদন জমা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। কারণ সম্প্রীতি রোমানিয়া দেশটি ইউরোপের সেনজেন ভুক্ত দেশের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। সেই সাথে বাঙ্গালীদের বিভিন্ন ধরনের কাজের সর্বোচ্চ সুযোগ দেয়ার কারণে রোমানিয়া তে পূর্বের বছরগুলো থেকে এ বছর অধিক কর্মী পাঠানো হচ্ছে। তবে ২০২৩ সালে এসে বেশ কিছু আপডেট তথ্য এসেছে যে আমরা এখন জানব।

আরো পড়ুনঃ  ইতালি ভিসার দাম কত ( সিজনাল ভিসা নন সিজনাল ভিসা )

রোমানিয়া ভিসা আপডেট ২০২৩

রোমানিয়া ভিসা আপডেট ২০২৩ সম্পর্কে অনেকেই জানতে চান, কিন্তু সঠিক তথ্যের অভাবে আপনারা জানার আগ্রহটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তবে আজকে আমাদের এই কনটেন্টটি যদি আপনি মনোযোগ সহকারে পড়তে পারেন তাহলে রোমানিয়া ভিসা আপডেট সম্পর্কে সকল তথ্য পেয়ে যাবেন। ২০২২ সালে যেভাবে রোমানিয়া ভিসা পাওয়া যাচ্ছিল তার থেকে ঠিক কিছু পরিবর্তন নিয়ে এসেছে এজেন্সিগুলো। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো নতুন কিছু রিকুয়ারমেন্ট। অনেকগুলো বিষয় রয়েছে যেগুলো আপনারা পর্যায়ক্রমে আমাদের পোস্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে বাংলাদেশ এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে অবশ্যই আপনারা আবেদন করার পূর্বে সরকার নিবন্ধিত রিক্রুটিং এজেন্সীগুলোর মাধ্যমে করবেন। ভুলে কখন আপনারা দালাল চক্রের মাধ্যমে রোমানিয়া ভিসা আবেদন করবেন না। আবেদন ছাড়াই নাকি তারা আপনাকে রোমানিয়া ভিসা সংগ্রহ করে দিতে পারবেন। এ ধরনের কোন কথায় সাড়া দিবেন না এবং এদের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক চুক্তি করবেন না। সর্বোপরি মনে রাখবেন রোমানিয়া ভিসা পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে আবেদন করতে হবে।

আরো পড়ুনঃ  ইতালি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ২০২২, ইতালি ভিসা আবেদন লিংক

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার দাম কত

সাধারণভাবে রোমানিয়ার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে প্রায় ৩ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মধ্যে প্রসেসিং করা সম্ভব হয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশি বেশ কিছু চক্রোর কারণে ভিসার দামটা কিছুটা বেশি খরচ করতে হয় প্রবাসীদের। মোটামুটি আপনি যদি এজেন্সি থেকে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেন সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা লাগবে। তবে কোন কাজ করতে গিয়ে যদি দালাল চক্রের সঙ্গে হাত করতে হয় সে ক্ষেত্রে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লাগতে পারে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন ফরম

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন র্ফ আপনারা অনলাইনের মাধ্যমে পেতে পারেন অথবা যে কোনো এজেন্সি থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন আবেদন র্ফম। আবেদন র্ফম সংগ্রহ করার পরে আপনারা আপনাদের বৈধ সকল ডকুমেন্টস দিয়ে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারেন। আপনারা যদি অবৈধ ডকুমেন্টস দিয়ে আবেদন করতে চান তাহলে আপনি কখনোই রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাবেন না। সুতরাং অবশ্যই আপনারা রোমানিয়া ওয়ান পারমিট ভিসা আবেদনের র্ফমটি বৈধ ডকুমেন্ট দিয়ে করবেন।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার জন্য বেশ কিছু কাগজপত্র এর প্রয়োজন হবে। যে সকল কাগজপত্র এবং ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি রোমানিয়া প্রবেশ করতে পারবেন না। চলুন দেখে আসি রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যেতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়।

  • প্রথমত আপনার একটি বৈধ পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে।
  • পাসপোর্টে সর্বনিম্ন ৬ মাস এর মেয়াদ থাকতে হবে।
  • পাসপোর্টে সর্বনিম্ন দুইটি ফাঁকা পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
  • এনআইডি কার্ড বা ভোটার আইডি কার্ড থাকতে হবে।
  • ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর প্রয়োজন হবে।
  • মেডিকেল রিপোর্ট।
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট
  • চেয়ারম্যান কতৃক সনদপত্র।
  • করোনার টিকা কার্ড।

আরো পড়ুনঃ  জাপানে সর্বনিম্ন বেতন কত-জাপানে কোন কাজে বেতন বেশি

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেসিং খরচ

রোমানি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা প্রসেসিং করতে মূলত ৬ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেগে থাকে। বাংলাদেশি এজেন্সি থেকে যদি রোমানি ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহ করেন সেক্ষেত্রে ৬ লক্ষ টাকার মত প্রয়োজন হবে এবং আপনি যদি কোন দালাল এবং প্রতারক চক্রের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে থাকেন সে ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট পারমিট এজেন্সি

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট মূলত বাংলাদেশের যে কোন এজেন্সি থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে এজেন্সি গুলো বেশিরভাগ রয়েছে ঢাকায়। তবে আপনি যদি এজেন্সি সম্পর্কে খুব বেশি অভিজ্ঞ না হন সেই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সরকারি এজেন্সির সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তারা আপনাকে সকল প্রক্রিয়ার সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেবে।

সরকারিভাবে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

যাদের সামর্থ্য একটু কম থাকে এবং যারা প্রতারিত হওয়ার ভয়টা একটু বেশি করে তারা সরকারিভাবে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহের চেষ্টা করে থাকেন। তবে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট সবসময় পাওয়া যায় না। রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসার সর্বশেষ আপডেট তথ্য পেতে হলে আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে থাকতে হবে। সর্বোপরি সরকারিভাবে যদি রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করে তাহলে আমাদের ওয়েবসাইটেতে প্রকাশ করা হবে।

আরো পড়ুনঃ  কানাডা যেতে কত বয়স লাগে-কানাডা যেতে কত পয়েন্ট লাগে

রোমানিয়া কাজের ভিসা অনলাইনে আবেদন করুন

অনেকে রয়েছেন যারা কিনা কর্ম ব্যস্ততার মাঝে এজেন্সিতে গিয়ে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদন করতে পারেন না। আপনারা চাইলে খুব সহজে অনলাইনের মাধ্যমে রোমানিয়া কাজের ভিসা আবেদন করতে পারবেন। শুধুমাত্র রোমানিয়ার কাজের বিষয় নয় রোমানিয়া যতগুলো ভিসা রয়েছে সকল বিষয়গুলোতেই আবেদন করতে পারবেন অনলাইনের মাধ্যমে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা
রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা

রোমানিয়াতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় কাজ

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় সাধারণত একজন মানুষ নির্মাণাধীন কাজগুলো বেশি করে থাকে। তবে নির্মাণাধীন কাজ ছাড়াও বেশ কিছু কাজ রয়েছে যেগুলোর জন্য কিছু রিকোয়ারমেন্ট এবং শর্ত পূরণ করতে হয় তাহলে সে কাজগুলো পাওয়া যায়। তবে সাধারণভাবে আপনি যদি বাঙালি হয়ে থাকেন এবং রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে নির্মাণাধীন বিভিন্ন স্থানে কাজ করতে হবে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে কতদিন লাগে

একটি রিপোর্ট অনুযায়ী দেখা গেছে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পেতে দুই মাস থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সময়ের ব্যবধানটা হতে পারে আপনি যে মাধ্যমে ভিসা সংগ্রহ করছেন সেটার উপর। আপনি যদি রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসাটি সরকারিভাবে সংগ্রহ করে থাকেন সে ক্ষেত্রে এক ধরনের সময় লাগবে আবার রোমানিয়াতে অবস্থিত কোন নাগরিকের থেকে সংগ্রহ করলে অন্যরকম সময় লাগবে।

আরো পড়ুনঃ  দুবাই ওয়ার্ক ভিসা আবেদন | দুবাই ওয়ার্ক ভিসার দাম কত

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়াকরণের সময়

রোমানি ওয়ার্ক পারমিট প্রক্রিয়াকরণের সময় সর্বোচ্চ ১ মাস। তবে এক্ষেত্রে অনেকের দুই থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লেগে যায়। এক্ষেত্রে বলা বাহুল্য যে আপনার মানে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা আবেদনের সময় যদি কোন ভুল থেকে থাকে অথবা আবেদনে যে ধরনের রিকোয়ারমেন্টগুলো গুলো চাওয়া হয় সেগুলোর মধ্যে কোন জালিয়াতি থেকে থাকে সে ক্ষেত্রে সময় কিছুটা বেশি লাগতে পারে।

রোমানিয়াতে যাওয়ার সহজ উপায়

রোমানিয়াতে যাওয়ার অনেকগুলো মাধ্যমের মধ্যে সবথেকে সহজ মাধ্যম হলো সেখানে অবস্থিত কোন নাগরিকের মাধ্যমে যোগাযোগ করা। সেখানে অবস্থিত কোন নাগরিকের মাধ্যমে যোগাযোগ করে যদি আপনি রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন তাহলে আপনি অনেকটা নিরাপদ ভাবে কাজ করতে পারবেন। এবং প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি একেবারেই থাকবে না বললেই চলে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট কেমন

অনেকে রয়েছে যারা রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সম্পর্কে জানেন না। রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা টি একেবারেই সহজ বিষয় হয়ে গেছে জনগণের কাছে। কারণ পূর্বের তিনি রোমানিয়া দৃষ্টিতে যাওয়ার কথা। শুনলে মানুষের একটু চমকে উঠতো কারণে দেশটি এতটা উন্নত ছিল না যে বাংলাদেশ থেকে এ দেশে গিয়ে অর্থ উপার্জন করা যাবে।

আরো পড়ুনঃ  জাপানের নাগরিকত্ব পাওয়ার উপায় ( নতুন নিয়ম )

তবে বর্তমান সময়ে এসে এতটাই উন্নত হয়েছে যে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণে মানুষ রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহ করেছে। রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা মূলত রোমানিয়া তে কাজ করার পারমিশন নেওয়া। আপনি যদি রোমানিয়াকে কাজ করতে ইচ্ছুক হন তাহলে অবশ্যই আপনাকে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা সংগ্রহ করতে হবে।

রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে সতর্কতা

প্রিয় পাঠক রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে যদি আপনি বিদেশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে থাকেন তাহলে আপনাকেও উক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ এক দেশ থেকে অন্য দেশে অভিগমন করতে হলে সতর্কভাবে অভিমান করতে হয় নতুবা আপনি নতুন নতুন এমন ধরনের বিপদে পড়বেন যা থেকে উদ্ধার হতে আপনার অনেক সময় লেগে যাবে। সর্বোপরি আমাদের সচেতন করার বিষয়টি হলো আপনি কোন ধরনের দালাল এবং প্রতারক চক্র গুলোর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিবেন না এবং আপনি কোন ধরনের কাজ করতে যাবেন সেটি নিশ্চিত করবেন।

ওমান ফ্রি ভিসা – ওমান দোকান ভিসা

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *