বাহরাইন যেতে কত টাকা লাগে: বাহরাইন যেতে কত বছর বয়স লাগে এবং বাহরাইন যেতে কত টাকা লাগে এই সকল সম্পর্কে আজকে আমরা আপনাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করব। এখান থেকে আপনারা বাহরাইন সম্পর্কে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন যেগুলো আপনাদের জন্য অনেক জরুরি হতে পারে। যেমন, বাহরাইন কাজের ভিসাতে যেতে কত টাকা লাগে, বাহরাইন কাজের ভিসায় যেতে কত বছর বয়স লাগে, বাহরাইন স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে কত বছর বয়স লাগে ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আজকের আমাদের এই কনটেন্ট থেকে আপনারা জানতে পারবেন।
বাহারাইন কাজের ভিসাতে যেতে বয়স কত লাগে
বাহরাইন কাজের ভিসা নিয়ে যদি আপনি বাংলাদেশ থেকে যেতে চান তাহলে আপনার বয়সের প্রয়োজন হবে সর্বনিম্ন ১৮ বছর। ১৮ বছর এর নিচে বয়স হলে আপনি বাহরাইন কাজের জন্য ভিসা পাবেন না সে ক্ষেত্রে আপনি সেখানে যেতে পারবেন না কাজও করতে পারবেন না। কাজ করার ক্ষেত্রে বয়সটা অনেকটাই জরুরী হয়ে পড়ে। যে কোনো বয়সে আপনি বাহরাইন গিয়ে কাজ করতে পারবেন না কাজ করার জন্য অবশ্যই আপনার বয়স ১৮ বছর হতে হবে।
বাহরাইন টুরিস্ট ভিসায় যেতে বয়স কত লাগে
বাহরাইন টুরিস্ট ভিসায় যেতে হলে বয়সের তারতম্য বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। আপনি যদি বাহরাইন টুরিস্ট ভিসা নিয়ে একা যেতে চান তাহলে আপনার বয়স ১৮ বছর এর বেশি হতে হবে। আপনি যদি আপনার পরিবারের সাথে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে বাহরাইন যেতে চান তাহলে আপনার বয়স ১৮ বছরের কম হলেও সমস্যা নেই। টুরিস্ট ভিসা নিয়ে যে কোনো বয়সের মানুষ বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন যেতে পারবে।
বাহরাইন স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে বয়স কত লাগে
বাহরাইন স্টুডেন্ট ভিসায় যেতে হলে আপনার নির্দিষ্ট কোন বয়সের প্রয়োজন নেই। আপনি সরকারিভাবে এবং বেসরকারিভাবে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে বাইরের দেশে পড়াশোনা বা উচ্চশিক্ষা করার জন্য যেতে পারবেন। স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যদি আপনি বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন যান তাহলে আপনি বেশ কিছু সুযোগ সুবিধা পেয়ে যাবেন।
বর্তমান সময়ে স্কলারশিপের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে অনেক দেশে স্টুডেন্ট হচ্ছে শিক্ষার জন্য যেয়ে থাকেন। তেমনি ভাবে আপনিও বাহরাইন স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যে কোনো সময় যেতে পারবেন। তবে বাংলাদেশ থেকে যে সকল ছাত্ররা বাহরাইন পড়াশোনা করার জন্য যেতে চান তাদের সকলের বয়সে ১৮ বছর এর বেশি হয়ে থাকে।
বাহারাইন যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বাহরাইন যেতে হলে আপনার বেশ কিছু ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। যে সকল ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন যেতে পারবেন না। বাহরাইন যাওয়ার জন্য যে সকল ডকুমেন্টস গুলো প্রয়োজন হয় তা নিচে উল্লেখ করা হলো।
- প্রথমত আপনার একটি পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে এবং পাসপোর্টে অবশ্যই বৈধ হতে হবে।
- পাসপোর্ট এর মেয়াদ সর্বনিম্ন ৬ মাস থাকতে হবে।
- বিগত ছয় মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর প্রয়োজন হবে।
- সদ্য তোলা ছবির প্রয়োজন হবে।
- এনআইডি কার্ড এর প্রয়োজন হবে।
- পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট।
- মেডিকেল রিপোর্ট।
- করোনার টিকা কার্ড।
- ইনভাইটেশন লেটার এর ফটোকপি এর প্রয়োজন হবে।
- হোটেল বুকিং এর ফটোকপি এবং এয়ারলাইন্স টিকেট এর ফটো এর প্রয়োজন হবে।
বাহারাইন যেতে কত টাকা লাগে ২০২৩
বাহরাইন যেতে খরচ লাগে বর্তমান সময়ে ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা। বাংলাদেশ থেকে যারা বাহরাইন এ কাজ করতে যেতে চান তারা মূলত বাহরাইন যেতে কত টাকা লাগে সে সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে থাকেন। বিভিন্ন ভিসার ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে এবং বিভিন্ন এজেন্সি এর উপর নির্ভর করে কিছু টাকা কম অথবা বেশি লাগতে পারে। সকল প্রসেস যদি আপনি নিজে নিজে করতে পারেন তাহলে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন যেতে আপনার খরচ হবে প্রায় দের থেকে দুই লক্ষ টাকা।
বাহারাইন ভিসা করতে কত টাকা লাগে
বাহরাইন ভিসা করতে খরচ হয় প্রায় ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা তবে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ওপর নির্ভর করে এবং বিভিন্ন এজেন্সির উপর নির্ভর করে কিছু টাকা কম ও বেশি হতে পারে। আপনারা যদি দালালের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন যেতে চান তাহলে আপনার খরচ হবে প্রায় ৬ লক্ষ থেকে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বা তারও বেশি খরচ হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে মানুষ বিভিন্ন দেশে গিয়ে থাকে এজেন্সির মাধ্যমে। তেমনি ভাবে আপনিও বাংলাদেশ থেকে এজেন্সির মাধ্যমে বাহরাইন যেতে পারবেন সে ক্ষেত্রে আপনার খরচ হবে চার থেকে ছয় লক্ষ টাকা।

বাহরাইন ক্লিনার ভিসার দাম কত
বাহরাইন যদি আপনি ক্লিনার ভিসায় যেতে চান তাহলে আপনার খরচ হবে প্রায় ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকা। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে বা এজেন্সি ভেদে কিছু টাকা কম বা বেশি হতে পারে। অনেকে রয়েছেন যারা দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন যেতে চান। তবে জেনে রাখা ভালো যে দালালদের মাধ্যমে কোন চুক্তি না করাই উত্তম। আপনি এজেন্সির সাহায্য নিয়ে অথবা আপনি নিজে নিজে ভিসা সংগ্রহ করে।
অথবা আপনার কোন আত্মীয় যদি বাহরাইন থাকে তাদের মাধ্যম দিয়ে আপনি বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন কাজ করার জন্য যেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনাকে অন্য কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে না। বাংলাদেশে অনেক এজেন্সি রয়েছে যেগুলো বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে অন্যান্য দেশে মানুষ প্রেরণ করে থাকেন। আপনারা খুব সহজেই এজেন্সের মাধ্যম দিয়ে বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন ক্লিনার ভিসায় যেতে পারেন।
বাহরাইন ড্রাইভিং ভিসার দাম কত
আপনি যদি বাহরাইনে ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে যেতে চান তাহলে আপনার খরচ হবে প্রায় ৪ থেকে ৬ লক্ষ টাকা। ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে অনেকেই বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন দেশে কাজ করতে যেয়ে থাকেন। তেমনি ভাবে অনেকেই বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন ড্রাইভিং ভিসায় যেতে আগ্রহী হয়ে থাকেন। অন্যান্য কাজের তুলনায় ড্রাইভিং কাজ অনেক সহজ হয়ে থাকে। এবং অন্যান্য কাজের ধরনের বেতন ও বেশি নির্ধারণ করা হয়ে থাকে যে ক্ষেত্রে বর্তমান সময়ের ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন দেশে সবচেয়ে বেশি যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বাহরাইন ফ্যাক্টরি ভিসার দাম কত
বাহরাইন ফ্যাক্টরি ভিসার দাম হয়ে থাকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মতো। তবে বিভিন্ন কোম্পানির উপর নির্ভর করে এবং এজেন্সির ওপর নির্ভর করে ভিসার দাম কম এবং বেশি হয়ে থাকে। আপনি যদি দালালের মাধ্যমে বাহরাইন যেতে চান তাহলে আপনার খরচ তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি হবে। সচরাচর যত টাকা লাগে তার থেকে ১ থেকে দেড় লক্ষ টাকা বেশি লাগবে। বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বাহরাইন গিয়ে ফ্যাক্টরের কাজ করেন তাদের যেতে খরচ হয়েছে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকার মত।
বাহরাইন মেডিকেল করতে কি কি কাগজ লাগে
আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে বাহরাইন যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে মেডিকেল করতে হবে। মেডিকেল করা ছাড়া আপনি কখনোই বাংলাদেশ থেকে বাহরাইনে যেতে পারবেন না। আপনারা অনেকেই জানেন না মেডিকেল করার জন্য কি কি প্রয়োজন হয় সে সম্পর্কে। চলুন জেনে নেওয়া যাক বাহরাইন যাবার জন্য মেডিকেল করতে হলে আপনার কি কি কাগজ লাগে সে সম্পর্কে।
- মেডিকেল করার জন্য প্রথমত আপনার পাসপোর্ট এর প্রয়োজন হবে। এবং পাসপোর্টে সর্বনিম্ন ৮ মাস মেয়াদ থাকতে হবে।
- দ্বিতীয়ত আপনার ইনজাজ কপি বা ভিসা অনলাইন কপির প্রয়োজন হবে। ইনজাজ কপি আপনারই হতে হবে এমন কোন নির্দিষ্ট বাধা-বন্ধকতা নেই। অন্য কারো ইনজাজ কপি নিয়ে ও আপনি এটা সম্পন্ন করতে পারেন।
- তারপর আপনার ছবির প্রয়োজন হবে। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড অবশ্যই সাদা হতে হবে।
- গামকা মেডিকেল স্লিপ।