দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসা তে কিভাবে যাবেন এবং কত টাকা খরচ হবে এই নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আমরা এই কনটেন্ট এর মাধ্যমে আলোচনা করেছি আশাকরি সম্পন্ন করলে আপনারা দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পেয়ে যাবেন তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য।
বর্তমানে দুবাইয়ে বিভিন্ন ধরনের ক্যাটাগরির কাজ চালু আছে তারমধ্যে রেস্টুরেন্ট ভিসা তে কাজের সুযোগ সুবিধা বেশি হওয়ায় অনেকেই এই ভিসার মাধ্যমে দুবাইতে কাজে নিয়োজিত হচ্ছে অথবা যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে তাই তাদের জন্যই আজকে আমাদের এই কনটেন্টে সাজানো হয়েছে। কিভাবে আবেদন করবেন এবং রেস্টুরেন্ট ভিসা বেতন কত সম্পূর্ণ জানতে পারবেন তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক।
দুবাই রেস্টুরেন্টে ভিসাতে কাজ
দুবাইয়ে রেস্টুরেন্টে কাজ করলে সুযোগ সুবিধা বেশি পাওয়া যায় অন্যান্য কাজের তুলনায় কেননা দুবাই একটু হচ্ছে মরুভূমি অঞ্চল সেখানে গরমের কথা চিন্তা ভাবনা করে অনেকেই রেস্টুরেন্ট ভিসা তে কাজ করার সুযোগ খুঁজতে থাকে কেননা বাহিরে অন্যান্য কাজগুলো করতে অনেকটাই কঠিন হয়ে পড়ে। তাই অনেকেই চিন্তা-ভাবনা করে থাকে যেরূপে দুবাইতে রেস্টুরেন্টে কাজ করার।
তবে সব সময় দুবাইতে রেস্টুরেন্টে কাজ পাওয়া সম্ভব হয় না এবং যদিও বা কাজ পাওয়া যায় তারপরেও অনেকটাই বেতন কম হয়ে থাকে তবে আপনি যদি বাংলাদেশ থেকেই আপনার পরিচিত কোন ব্যক্তির মাধ্যমে রেস্টুরেন্ট ভিসা নিয়ে দুবাই তে যেতে পারেন সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনার সুযোগ সুবিধা বেশি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং ভালো বেতন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তাই অবশ্যই চেষ্টা করবেন রেস্টুরেন্টে যাওয়ার আগে পূর্ব পরিচিত কেউ যদি থেকে থাকে অথবা কোন এজেন্সির রয়েছে যে আপনাকে দুবাইতে রেস্টুরেন্ট ভিসা এর মাধ্যমে নিয়ে যেতে পারবে এবং সেখানে কাজে নিয়োজিত করবে। তবে এক্ষেত্রে আপনারা বাংলাদেশের অনেক রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে এ সমস্ত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে যেতে পারবেন। কোথায় কোন এজেন্সির মাধ্যমে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরবো।
দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসা
দুবাইয়ে কয়েক ধরনের ভিসা ক্যাটাগরির মধ্যে রেস্টুরেন্ট ভিসা হলো অন্যতম একটি ক্যাটাগরি। বর্তমানে রুপোর 25 থেকে 30 হাজার লোক কাজে নিয়োজিত আছে। তবে দুবাইয়ে রেস্টুরেন্টের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই অনেকেই রেস্টুরেন্ট ভিসা নিয়ে দুবাইতে পাড়ি জমাচ্ছে। স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে সরাসরি যে সমস্ত সরকারি নিবন্ধিত এজেন্সি রয়েছে এ সমস্ত সরকারি নিবন্ধিত এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদন করার পূর্বে অবশ্যই এজেন্সির মাধ্যমে আপনারা আবেদন করবেন সেই এজেন্সির লাইসেন্স নাম্বার এবং রেজিস্ট্রেশন নাম্বার আছে কিনা তা আগে থেকে জেনে নিবেন এবং সেইসাথে অনলাইনের মাধ্যমে এজেন্সির ডিটেইলস জেনে নিতে পারবেন। এসমস্ত জেনে নেওয়ার পরেই তারপরেই আপনারা দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করবেন।
দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসাতে কাজের দক্ষতা
দুবাইতে যে সমস্ত রেস্টুরেন্টগুলো আছে তার সবগুলোই আন্তর্জাতিক মানের রেস্টুরেন্ট হওয়ার কারণে রেস্টুরেন্টে কাজ করতে হলে অবশ্যই দক্ষতা প্রয়োজন আছে। দুবাইয়ের রেস্টুরেন্টগুলোতে কাজ করার জন্য কোন অভিজ্ঞতা ছাড়া এবং রেপুটেড ইনস্টিটিউটের সার্টিফিকেট ছাড়া এখানে কাজ করার সুযোগ পাবেন না।
দুবাইতে রেস্টুরেন্ট ভিসা এ কাজ করার জন্য অবশ্যই অতি দক্ষতার সঙ্গেই এই কাজগুলো সম্পন্ন করতে হয় তাই বিশ্বমানের এই হোটেল গুলোতে কাজ করার জন্য অবশ্যই পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং সেই সাথে আপনি পূর্ব কোথাও কাজ করেছেন কিনা সেই বিষয়ের জন্য একটি প্রমাণস্বরূপ কাগজপত্র লিপিবদ্ধ কোন বিষয়ে আপনাকে দেখাতে হবে।
কারণ কাজগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সাথে করতে হয়। রেস্টুরেন্ট মালিক অবশ্যই এই কাজের জন্য দক্ষ কর্মী নিয়োগ করে আপনি যদি আমাদের রেস্টুরেন্টের কাজে দক্ষ হয়ে থাকেন অথবা বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন থেকে এই রেস্টুরেন্ট বিষয়ের উপর পড়ালেখা করে সার্টিফিকেট গ্রহণ করে থাকে তাহলে সুযোগ পাওয়া সম্ভব
দুবাই অবস্থিত বিভিন্ন হোটেলের কাজ পেতে পারেন এছাড়া আন্তর্জাতিক মানের হোটেল এবং রেস্টুরেন্ট কোন অবস্থাতে আপনার কাজ পাবেন না এবং পাশাপাশি আপনি চাইলে দুবাইয়ে বিভিন্ন ধরনের রেস্টুরেন্টের বিজনেস শুরু করতে পারবেন যদি আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকে এবং এ বিষয়ে যদি পড়ালেখা করে থাকেন।
দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসায় কি ধরনের কাজ করে
দুবাই অবস্থিত বাংলাদেশ, ইন্ডিয়্ পাকিস্তান, আরবিয়ান, অনেক রেস্টুরেন্ট রয়েছে এই সমস্ত রেস্টুরেন্টগুলোতে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে যেমন ক্লিনি, খাবার পরিবেশন, ফুড প্যাকেজিং, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, রান্নার কাজ, সহ বিভিন্ন ধরনের কাজ করা হয়ে থাকে।
আরো পড়ুন: পল্লী উন্নয়ন একাডেমি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
ইন্ডিয়া পাকিস্তান সহ বিভিন্ন দেশের এই সমস্ত রেস্টুরেন্টগুলোতে বাঙালি খাবার পরিবেশনের জন্য বাংলাদেশি শেফ নিয়োগ দিয়ে থাকে তাই এই ক্ষেত্রে অবশ্যই বাংলাদেশের সমস্ত রিক্রুটিং এজেন্সি রয়েছে এই সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে লোক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে তাই এই সমস্ত এজেন্সির সাথে যোগাযোগ রাখলে আপনারা দুবাইয়ে রেস্টুরেন্টে কাজ করার সুযোগ পাবেন।
দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া
বাংলাদেশ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে যে সমস্ত এজেন্সি রয়েছে এ সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। রেস্টুরেন্টে যাওয়ার জন্য সরকারি এবং বেসরকারি বিভিন্ন ধরনের এজেন্সি রয়েছে এই সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে দুবাইতে যেতে পারবেন এবং রেস্টুরেন্টে ভিসাতে কাজ করার জন্য।
তবে যে সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে আপনারা আবেদন করবেন অবশ্যই এই সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে জেনে নিবেন যে রেস্টুরেন্ট ভিসা কত টাকা বেতন পাওয়া যাচ্ছে এবং আপনাদের কোম্পানির মাধ্যমে কি কি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এই নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনে নিয়ে তারপরে আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেবেন।
এবং সেটিও জেনে নিবেন যে দুবাইতে রেস্টুরেন্ট ভিসা তে কত ঘন্টা ডিউটি করা লাগবে পাশাপাশি অন্যান্য কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ সুবিধা পাওয়া যাবে কিনা এই বিষয়টি আগেই আপনার কোম্পানীর মাধ্যমে এজেন্সির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়ে নিবেন তা না হলে পরবর্তীতে আপনাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়তে হতে পারে।
দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসার দাম কত
দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসার সঠিক দাম তিনি এখন পর্যন্ত কোন কোম্পানি তারা নিশ্চিত করেনি তবে এক্ষেত্রে দুবাইয়ে যদি রেস্টুরেন্ট ভিসা নিয়ে কেউ যেতে চাই তাহলে তার খরচ পড়বে ৫ থেকে ৭ টাকার মধ্যে। তবে এই খরচ অবশ্যই কোন কোম্পানীর নির্ধারিত কোন বিষয় নয় এক্ষেত্রে যে কোন সময়ে কমবেশি হতে পারে।
তা ছাড়াও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার কারণে দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে থাকে তবে অবশ্যই আপনারা কয়েকটি এজেন্সির মাধ্যমে ভালোমতো যোগাযোগ করে যেতে পারেন এক্ষেত্রে তারা বেশি রাখছে কিনা কম রাখছে তাহলে আপনি বিষয়টি ভালোমতো বুঝতে পারবেন।
এবং এই দামের মধ্যে আপনি সমস্ত প্রসেস কমপ্লিট করতে পারবেন কিনা যেমন মেডিকেল খরচ বিমান ভাড়া অন্যান্য যাবতীয় খরচ সহ বিষয়গুলো জেনে নিবেন তারপর এই দুবাই যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন।
দুবাই রেস্টুরেন্ট ভিসায় বেতন কত
দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসা তে কাজ করতে হলে দুই শিফটে ১২ ঘন্টা করে ২৬ দিন কাজ করতে হয়। ২৬ দিন কাজ করার জন্য প্রতি মাসে ১২০০ থেকে ১৫০০ দেরহাম বেতন পাবেন। যা বাংলাদেশী টাকায় ৩০ হাজার থেকে ৩৫ হাজার টাকা পাওয়া যায়।
তবে প্রথম অবস্থা থেকে কখনোই আপনি এর থেকে বেতন বেশি পাওয়া সম্ভব নয় এক্ষেত্রে আপনি পরবর্তীতে যখন অভিজ্ঞতা বৃদ্ধি পাবে এবং সেইসাথে কোম্পানির সাথে যখন আপনার ভালো একটি বোঝাপড়া তৈরি হবে পরবর্তীতে আপনার বেতন বৃদ্ধি করা হবে।
কিন্তু বর্তমানে দালালরা যে ধরনের আপনাদেরকে প্রলোভন দিয়ে থাকে যেমন মাসে ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা ইনকাম করতে পারবেন এক্ষেত্রে সম্পূর্ণ একটি মাধ্যম গুলো সব থেকে উত্তম। এবং চেষ্টা করবেন সর্বদা বিভিন্ন এজেন্সির আপনাকে ভ্যালিড মাধ্যমে দুবাইতে পাঠাতে পারবে এবং কাজে নিয়োজিত করতে পারবে।
দুবাই রেস্টুরেন্টের কিভাবে পাবেন
দুবাইতে রেস্টুরেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে অবশ্যই অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে জানতে হবে এবং সেইসাথে আপনার একটি ভালো বায়ো-ডাটা এবং একটি সিভি তৈরি করতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে দুবাইয়ের ম্যানপাওয়ার কার্ড তৈরি করে অথবা বিভিন্ন ধরনের পারমিট ভিসা নিয়ে দুবাইতে যাওয়া যাচ্ছে।
দুবাইতে রেস্টুরেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য অবশ্যই প্রথমে আপনাকে টুরিস্ট ভিসার মাধ্যমে সেখানে গিয়ে রেস্টুরেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে অথবা বাংলাদেশে অবস্থিত সরকার নিবন্ধিত কিছু রেটিং এজেন্সি রয়েছে এ সমস্ত এজেন্সির মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় দক্ষতা দেখিয়ে যেতে পারবেন।
দুবাই তে যাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে তিন দিনের একটি প্রশিক্ষণ নিতে হবে এই প্রশিক্ষণ গুলো সাধারণত জেলা পর্যায়ের টিটিসি কেন্দ্র থেকে নিতে পারবেন অথবা সরকার নিবন্ধিত যে সমস্ত এজেন্সি রয়েছে তাদের মাধ্যমেও আপনারা তিন দিনের প্রশিক্ষণ নিয়ে তারপর এই দুবাই যেতে পারবেন।
দুবাই রেস্টুরেন্টে সুযোগ সুবিধা
দুবাইয়ের স্টুডেন্ট ভিসা তে কাজ করার জন্য যে ধরনের বকশিশ বা টিপস পাওয়া যায় তা সবাই মিলে ভাগ করে নিতে হয় এক্ষেত্রে কোনো ওইটার কোন কর্মচারী একা নিতে পারবে না এক্ষেত্রে মালিক সবার পরে ভাগ করে বেতনের সাথে বোনাস হিসেবে দেওয়া হয়ে থাকে।
তাছাড়াও কোম্পানি থেকে মাঝে মাঝে বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার জন্য সময় এবং থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা সহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য খরচ বহন করে থাকে তবে এক্ষেত্রে আপনারা আপনাদের এজেন্সির মাধ্যমে অথবা যে কোম্পানির মাধ্যমে নিযুক্ত আছেন সেই কোম্পানির মাধ্যমে ভালোমতো সে বিষয়গুলো জেনে নিতে পারবেন।
সাবধানতা
দুবাইতে রেস্টুরেন্ট হিসেবে কাজ করতে হলে অবশ্যই পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকা প্রয়োজন এক্ষেত্রে দালালরা আপনাদের বিভিন্ন ধরনের প্রলভন দেখাতে পারে যেমন বলতে পারে কোন ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকা লাগবে না এবং কোনো ধরনের কাগজপত্র প্রয়োজন নাই এক্ষেত্রে আপনি যদি তাদের কথা মেনে নিয়ে দুবাইতে যে কাজে নিয়োজিত হন তাহলে আপনাকে আবার পুনরায় ঘুরে আসা লাগতে পারে।
কারণ মনে রাখবেন দুবাইতে যে সমস্ত হোটেল রেস্টুরেন্ট রয়েছে এ সমস্ত রেস্টুরেন্টগুলোতে উন্নত মানের সার্ভিস প্রদান করা হয়ে থাকে তাই অবশ্যই এই ক্ষেত্রে আপনাদেরকে পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং শারীরিকভাবে ফিট থাকা লাগবে তারপরে আপ্নারা দুবাইতে স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে কাজ করতে পারবেন ধন্যবাদ আজকে আমাদের দুবাই রেস্টুরেন্ট নিয়ে বিস্তারিত তথ্য।
#দুবাই_রেস্টুরেন্ট_এর_কাজের_ভিসা #Dubai_restaurant_visa #about_dubai_visa