কুয়েত কোম্পানি ভিসা ২০২৩-কুয়েত ন্যাশনাল কোম্পানি

কুয়েত কোম্পানি ভিসা
কুয়েত কোম্পানি ভিসা
Contents show

কুয়েত কোম্পানি ভিসা কিভাবে পাবেন এবং কুয়েত কোম্পানি ভিসা করতে কত টাকা খরচ হয় এবং প্রয়োজনীয় কি কি কাগজপত্র লাগে তা আজকে আমরা এই কন্টেন্টের মধ্যে তুলে ধরেছি তাছাড়াও আপনারা এই কনটেন্ট এর মধ্যে আরও জানতে পারবেন কুয়েত কোম্পানি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কুয়েত কোম্পানি ভিসা সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য।

কুয়েতে ওয়ার পারমিট ভিসা এবং কুয়েত কোম্পানি ভিসার মাধ্যমে বর্তমানে কুয়েতে অনেক শ্রমিক কাজে নিয়োজিত আছে। তবে নতুন বছর উপলক্ষে কুয়েত কোম্পানি ভিসার মাধ্যমে অনেকেই যেতে চাচ্ছে তাদের জন্য মূলত আজকে আমরা এই বিষয়টা নিয়ে তুলে ধরেছি এবং কুয়েত কোম্পানি ভিসার সুযোগ সুবিধা এবং বেতন কত এগুলো জানতে পারবেন।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা কি

কুয়েত কোম্পানি ভিসা মূলত কুয়েতের যে সমস্ত কোম্পানির রয়েছে ওই কোম্পানিগুলো শ্রমিক নেওয়ার জন্য বাংলাদেশে এজেন্সির মাধ্যমে যখন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এবং বাংলাদেশ এজেন্সির মাধ্যমে যখন কুয়েতের কোম্পানিগুলোতে কাজ করার সুযোগ পায় তাকেই মূলত আমরা কুয়েত কোম্পানি ভিসা বলি। কুয়েত কোম্পানি ভিসা করার জন্য আমরা বাংলাদেশের সরকারি এবং বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে তৈরি করতে পারব।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা পাওয়ার জন্য আপনারা আপনাদের পরিচিত কোন ব্যক্তির মাধ্যমেও সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা চাইলে বাংলাদেশের সরকারের নিবন্ধিত যে সমস্ত সরকারি এজেন্সি রয়েছে এই এজেন্সি গুলো থেকেও কুয়েত কোম্পানি ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন তাহলে চলুন এই সংক্রান্ত তথ্য গুলো জেনে নি।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা ২০২৩

বর্তমানে কুয়েতের নতুন নতুন কোম্পানিগুলোতে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক নিচ্ছে তাই নতুন বছর উপলক্ষে যারা কুয়েতের কোম্পানি ভিসাতে কাজ করতে চান তারা নির্দিষ্ট একটি কাজের উপর দক্ষতা তৈরি করে কুয়েত কোম্পানি ভিসায় কাজ করার সুযোগ তৈরি করে নিতে পারবেন। এক্ষেত্রে ড্রাইভিং কোম্পানি, ইলেকট্রিক কোম্পানি, কনস্ট্রাকশন কোম্পানি সহ আরো অনেক কোম্পানি রয়েছে যা নতুন বছরে শ্রমিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার কথা উল্লেখ করেছে।

উক্ত কোম্পানিগুলোতে কাজ করার জন্য দুই বছর অথবা ৬ মাসের একটি এক্সপেরিয়েন্স থাকা লাগে সেই সাথে কোন কোন কোম্পানিগুলোতে কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণের জন্য সনদপত্র চাওয়া হয় তাই আপনারা বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারি অথবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে এই কাজগুলোর উপর প্রশিক্ষণ করে নিতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ  বিদেশে গার্মেন্টস চাকরি কিভাবে পাবেন আবেদনসহ বিস্তারিত

কুয়েত ন্যাশনাল কোম্পানি

মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় একটি কোম্পানি হলো কুয়েত ন্যাশনাল কোম্পানি বছরের বিভিন্ন সময় তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে তাই উক্ত কোম্পানিতে কাজ করার জন্য সরকারি এজেন্সিগুলোর মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন এক্ষেত্রে ন্যাশনাল কোম্পানিগুলো বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশগুলোতে তাদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সার্কুলার প্রকাশ করে থাকে। অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় কুয়েত ন্যাশনাল কোম্পানিতে বেতন এবং সুযোগ সুবিধা বেশি পাওয়া যায়।

সাধারণত কুয়েত ন্যাশনাল কোম্পানিগুলোতে কাজ করার জন্য পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে এবং সেই সাথে ইংলিশ ভাষা জানতে হবে। এক্ষেত্রে বর্তমানে যারা কুয়েতে অবস্থান করছে তাদের ক্ষেত্রে কিন্তু এ সমস্ত কোম্পানির গুলোতে কাজ করার জন্য কুয়েতের বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে তারা আবেদন পত্রের মাধ্যমে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে নিতে পারবে তবে অবশ্যই পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

আরো পড়ুনঃ  দুবাই টেক্সি ভিসা এবং দুবাই ট্যাক্সি জবে বেতন কত

কুয়েত ড্রাইভিং কোম্পানি ভিসা

কুয়েতে ড্রাইভিং ভিসা নিয়ে অনেকেই কাজ করার সুযোগ খোঁজেন তবে এক্ষেত্রে জানানো যাচ্ছে যে কুয়েতে ড্রাইভিং করে অনেকেই বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ করে নিতে পারবেন এক্ষেত্রে যে সমস্ত ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির রয়েছে কুয়েতে এই সমস্ত কোম্পানিগুলোতে ড্রাইভিং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে থাকে। কুয়েতে ড্রাইভিং ভিসায় কাজ করার জন্য অবশ্যই ইন্টারন্যাশনাল মানের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে তারপরে কুয়েতে ড্রাইভিং কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ করে নিতে পারবেন।

কুয়েত ড্রাইভিং কোম্পানি ভিসা পাওয়ার জন্য পরিচিত কোন ব্যক্তি যদি কুয়েতের কোম্পানিতে কাজ করে থাকে তবে তাদের মাধ্যমেও সংগ্রহ করতে পারবেন অথবা বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত বি এম ইটি অথবা বুয়েসেলের মাধ্যমেও কুয়েতের ড্রাইভিং ভিসায় কাজ করার সুযোগ তৈরি করে নিতে পারবেন।

আরো পড়ুনঃ  কুয়েত কোম্পানি ভিসা বেতন কত-কুয়েতে সর্বনিম্ন বেতন কত

তবে আপনাদের জেনে রাখা উচিত যে কুয়েত ড্রাইভিং কোম্পানিতে কাজ করার জন্য অবশ্যই বয়স সীমা ২১ বছর হতে হবে। এছাড়াও কুয়েতের কোম্পানিগুলোতে বিভিন্ন ধরনের থাকে ওই রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী আপনাকে জবের জন্য আবেদন করতে হবে।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা

কুয়েত কোম্পানি ভিসায় বেতন কত

কুয়েত কোম্পানি ভিসায় বেতন ৯০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত তবে পরবর্তীতে অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এবং দক্ষতার ভিত্তিতে ভালো মানের কোম্পানিগুলোতে বেতন বাড়িয়ে থাকে। তাছাড়াও কুয়েতের ইন্টারন্যাশনাল সহ অন্যান্য কোম্পানিগুলোতে বেতন কমবেশি হয়ে থাকে।

তাছাড়া নরমাল কোম্পানি সহ যারা ড্রাইভিং কোম্পানিগুলোতে কাজ করে থাকে তাদের বেতন গড়ে ৯০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা অথবা এর মধ্যে কম বেশি হতে পারে। বিভিন্ন কনস্ট্রাকশন কোম্পানিতে কাজ করার জন্য বেতন 70 হাজার টাকা থেকে শুরু করে এক লাখ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে তাই এভারেজ একজন শ্রমিকের কোম্পানি বেতন ৯০,০০০ টাকা ধরা হয়।

কুয়েত কোম্পানি ভিসার দাম

কুয়েত কোম্পানি ভিসার দাম ৪ লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে তবে এক্ষেত্রে আপনাদের জেনে রাখা উচিত যে বিভিন্ন কোম্পানিতে বিভিন্ন ধরনের দাম নির্ধারিত থাকে এবং বেতন কাঠামো আলাদা আলাদা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধার কারণে কিন্তু ভিসার দাম ভিন্ন রকম হতে পারে তাই অবশ্যই আপনার কোম্পানির মাধ্যমে জেনে নিবেন আপনাকে কি কি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হবে এবং সেই অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করবেন।

আরো পড়ুনঃ  কুয়েতে কাজের ভিসা-কুয়েত ভিসা আবেদন

তবে সরকারিভাবে কিন্তু কুয়েতে যাওয়ার জন্য খরচ অনেক কম লাগে। সরকারিভাবে কুয়েত কোম্পানিগুলোতে কাজ করার জন্য সুযোগ সুবিধা বেশি পাওয়া যায় এবং অল্প খরচেই ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন। এবং বেসরকারি এজেন্সির মাধ্যমে যদি যেতে চান তাহলে খরচ বেশি পড়বে এবং সুযোগ-সুবিধা এবং বেতন কাঠামো কিছুটা কম হবে। সরকারি ভিসায় যাওয়ার জন্য অবশ্যই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা কিভাবে পাবেন

কুয়েত কোম্পানি ভিসা পাওয়ার জন্য সরাসরি বাংলাদেশে অবস্থিত কুয়েত দূতাবাসের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত যে সমস্ত এজেন্সি গুলো রয়েছে এই এজেন্সি গুলোর মাধ্যমেও ভিসা সংগ্রহ করতে পারেন তবে এক্ষেত্রে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আপনাদেরকে এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র এবং রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে তা সম্পূর্ণ করতে হবে।

তাছাড়াও আপনারা কুয়েতের ভিসা বিভিন্ন উপায়ে সংগ্রহ করতে পারেন আপনার পরিচিত কোন আত্মীয় যদি কুয়েতে বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করে থাকে তাহলে তাদের মাধ্যমে আপনারা রিকোয়েস্ট করে কুয়েতের কোম্পানি ভিসা সংগ্রহ করতে পারবেন এক্ষেত্রে আপনার পরিচিত কোন ব্যক্তি যদি ওই কোম্পানিতে আবেদন করে আপনার জন্য যদি একটি ভিসা সংগ্রহ করতে পারে তাহলে কিন্তু সবথেকে ভালো হয় এবং নির্ভরযোগ্য এবং ট্রাস্টেড ভিসা আপনি হাতে পাবেন।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা আবেদনের নিয়ম

যারা কুয়েতে কমপ্লিট চাই যেতে চান তারা জানতে চান কুয়েত কোম্পানি ভিসার আবেদন সম্পর্কে। আপনি যদি কুয়েতে কোম্পানি ভিসায় যেতে চান তাহলে আপনাকে প্রথমত কিছু ডকুমেন্টের প্রয়োজন হবে। ডকুমেন্টগুলো নিয়ে আপনি এজেন্সি থেকে অথবা অনলাইনের মাধ্যমে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন। ভিসার জন্য একটি ফর্ম দেওয়া হয়ে থাকে সেই ফর্মটি আপনি আপনার সকল সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করবেন। আবেদন করার জন্য বেশ কিছু কিছু ডকুমেন্টের প্রয়োজন হয়ে থাকে। যা মূলত প্রতিটি ভিসার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সুতরাং ডকুমেন্টগুলো সংগ্রহ করার পর আপনি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ  কানাডা ড্রাইভিং ভিসা বেতন কত

তবে আপনাদের মনে রাখা উচিত যে কোন ধরনের দালালের মাধ্যমে কুয়েতের কোম্পানি ভিসাতে যাবেন না কেননা যারা দালাল রয়েছে তারা সাধারণত কুয়েতের বিভিন্ন বন্ধ কোম্পানির নামে ভিসা তৈরি করে বাংলাদেশের মানুষের কাছে তারা বিক্রি করে থাকে এই ক্ষেত্রে আপনি যদি ওই বন্ধ কোম্পানির নামে ভিসা তৈরি করে নিয়ে যান সে ক্ষেত্রে কিন্তু কুয়েতে গিয়ে আপনি কোন ধরনের কাজ করতে পারবেন না এমনকি আপনাকে দেশেও ফেরত আসা লাগতে পারে।

কুয়েত কোম্পানি ভিসার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র এবং দক্ষতা দেখানোর জন্য সার্টিফিকেট এর প্রয়োজন পড়ে তাই আপনারা যারা কুয়েত কোম্পানি ভিসার জন্য আবেদন করবেন তারা অবশ্যই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সনদ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে তারপরেই ভিসার জন্য আবেদন করবেন।

  • ছয় মাস মেয়াদী ভ্যালিড পাসপোর্ট
  • দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি (সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড)
  • এনআইডি কার্ডের ফটোকপি
  • চেয়ারম্যান কর্তৃক সত্যায়িত সনদ
  • প্রশিক্ষণপ্রাপ্তর সার্টিফিকেট

উপরোক্ত কাগজপত্রে যদি কোন ধরনের ভুল ত্রুটি থাকে তাহলে ভিসা আবেদন ক্যান্সেল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তাই অবশ্যই উপরুক্ত কাগজপত্র কোন ধরনের ভুল ত্রুটি ছাড়াই আবেদন করার চেষ্টা করবেন এবং আবেদন ফরম পূরণ করার জন্য অবশ্যই এনআইডি কার্ডের নাম এবং সার্টিফিকেট অনুযায়ী নাম ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন এক্ষেত্রে কোন ধরনের সমস্যা হবে না তাহলে।

কুয়েত কোম্পানি ভিসাই সুযোগ সুবিধা

সাধারণত যারা কুয়েত কোম্পানি ভিসার মাধ্যমে সেখানে গিয়ে কাজে নিয়োজিত থাকে তাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে যেমন প্রত্যেক বছর বাড়িতে যাতায়াতের সুযোগ এবং যাতায়াত খরচ সহ বহন করে থাকে। তবে সব কোম্পানিগুলো কিন্তু একই ধরনের সুযোগ সুবিধা বহন করে না এক্ষেত্রে আপনি যেই এজেন্সির মাধ্যমে কোম্পানি ভিসা নিবেন সেই এজেন্সি থেকেই জেনে নিবেন আপনার সুযোগ সুবিধা কি কি থাকবে।

আরো পড়ুনঃ  সিঙ্গাপুর ওয়েল্ডিং কাজের ভিসা-সিঙ্গাপুর ওয়েল্ডিং কাজের বেতন

আবার অনেক এজেন্সি রয়েছে যারা কিনা থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা এবং প্রত্যেক বছর শেষে বোনাস প্রদান করে থাকে। এই  তাই কুয়েত কোম্পানিগুলো সম্পর্কে অবশ্যই আগে থেকেই আপনার এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে জেনে নেবেন এবং আপনার থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা এবং আপনার যাতায়াত খরচ কে বহন করবে এ সম্পর্কে জানা জরুরি।

কুয়েত কোম্পানি ভিসা সংক্রান্ত সতর্কতা

কুয়েত কোম্পানি ভিসা সংক্রান্ত সতর্কতা স্বরূপ জানানো যাচ্ছে যে যেকোনো ধরনের কুয়েত কোম্পানি ভিসা সংগ্রহ করার পরে অবশ্যই অনলাইন থেকে ভিসা যাচাই-বাছাই করে নিবেন অথবা বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত এজেন্সির মাধ্যমেও আপনারা গিয়ে আপনার ভিসা যাচাই-বাছাই করে নিতে পারবেন।

সৌদি আরব ভিসা সম্পর্কে আরও পড়ুন

অথবা আপনার পরিচিত কোন ব্যক্তি যদি কুয়েতে বিভিন্ন কোম্পানিতে কাজ করে থাকে অথবা কুয়েতে অবস্থান করে তাদের মাধ্যমেও আপনারা আপনার ভিসা সংক্রান্ত তথ্যগুলো তাদেরকে জানিয়ে কনফার্ম হতে পারবেন আপনার ভিসা আসলেই সত্য নাকি মিথ্যা তাই অবশ্যই কুয়েতে যাওয়ার আগে কুয়েত ভিসা সংক্রান্ত তথ্য গুলো অনলাইনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে তারপরে কুয়েতে যাওয়া উচিত। এই ছিল আজকে আমাদের কুয়েত কোম্পানি ভিসা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য।

কুয়েত আল ন্যাশনাল কোম্পানি

কুয়েতের সর্বাধিক জনপ্রিয় কোম্পানি গুলোর মধ্যে একটি হলো কুয়েত ন্যাশনাল কোম্পানি। যে কোম্পানিতে বিভিন্ন সময় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকেন। এই কোম্পানিটি যেহেতু অনেক বড় এবং বেশি পরিমাণ কন্ট্রাক্ট নিতে পারে। সে কারণে এখানে বেশি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখা যায়। আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে এই কোম্পানিতে কাজ করতে যেতে আগ্রহী হয়ে থাকেন তাহলে আপনি নিশ্চিন্তে এই কোম্পানিতে কাজ করতে যেতে পারেন।

আরো পড়ুনঃ  অস্ট্রেলিয়া টুরিস্ট ভিসা-অস্ট্রেলিয়া ভিসা প্রসেসিং

অন্যান্য কোম্পানির তুলনায় কুয়ে ত আল ন্যাশনাল কোম্পানি বেশি সুযোগ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং তার সাথে বেতন ও সঠিকভাবে পরিশোধ করে দিয়ে থাকে। তবে কুয়েত ন্যাশনাল কোম্পানিগুলো সর্বসময় অভিজ্ঞতা সম্পন্ন শ্রমিক নিয়ে থাকে। যারা কিছুটা ভাষার দিকে দক্ষ রয়েছে তাদের মান একটু বেশি। এই কোম্পানিগুলোতে কাজ করার আবেদন আপনি এজেন্সির মাধ্যমে করতে পারবেন।

কুয়েত আল জাজিরা কোম্পানি

কুয়েতের বড় বড় কোম্পানি গুলোর মধ্যে আল জাজিরা অন্যতম। এই কোম্পানিতে কাজ করে শ্রমিকরা মাসিক প্রায় ৫০ হাজার থেকে ৮০ হাজার বা তার বেশি টাকার মতো আয় করে থাকেন। কোম্পানিতে অনেক রকমের সুযোগ সুবিধা রয়েছে। এক একটা কোম্পানির নিয়ম একেক রকম কোন কোম্পানিতে একটু বেশি সুযোগ সুবিধা রয়েছে কোন কোম্পানিতে কম সুযোগ সুবিধা রয়েছে।

আরো পড়ুনঃ  দুবাই কোন কাজের বেতন বেশি | দুবাই কোন কাজের কত বেতন

এই কোম্পানিতে আপনি কাজ করলে আপনার বেতন সময় মতো নিতে পারবেন। কুয়েতে প্রায়ই কোম্পানিগুলোই সঠিক সময়ে বেতন দেওয়ার চেষ্টা করে থাকে। এই কোম্পানিগুলো তো কাজ করলে আপনি অনেক রকম সুযোগ সুবিধা ও পেতে পারেন। দীর্ঘদিন যাবত কাজ করলে এই কোম্পানি কোম্পানি থেকে আপনাকে এক্সট্রা টাকা দেওয়া হয়। আপনি যদি ছুটির সময় বাড়ি আসেন তাহলে আপনার ক্রিকেট এবং কিছু পরিমাণ টাকা তারা দিয়ে দেয়।

কুয়েতাল ন্যাশনাল কোম্পানিকুয়েতে অবস্থিত
কুয়েতের কোম্পানিগুলোতে বেতন৬০,০০০থেকে এক লক্ষ বিশ হাজার
কখন আবেদন শুরু হয়বছরের বিভিন্ন সময়
আবেদন করার মাধ্যমসরকার নিবন্ধিত এজেন্সি
আবেদন করতে খরচএজেন্সির মাধ্যমেই করা হয়

কুয়েত কোম্পানি ভিসা নিয়ে প্রশ্ন উত্তর

কুয়েত কোম্পানি ভিসার দাম কত?

কুয়েত কোম্পানি ভিসার দাম চার লক্ষ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ আট লক্ষ টাকা পর্যন্ত। তবে সেটা নির্ভর করে কি ধরনের ভিসা নিয়ে যাচ্ছে এবং কত টাকা পরিমাণ সে ওই ভিসাতে বেতন তুলতে পারবে।

কুয়েত আল-নাসনাল কোম্পানি ভিসা?

কুয়েত আল-নাসনাল কোম্পানি ভিসা নেওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে নির্দিষ্ট একটি কাজের উপর দক্ষতা অর্জন করে তারপরেই আল ন্যাশনাল কোম্পানিতে আবেদন করতে হবে।

কুয়েত আল ন্যাশনাল কোম্পানিতে বেতন কত?

কুয়েত আল ন্যাশনাল কোম্পানিতে বেতন ৬০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ এক লাখ বিশ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

কুয়েত আর ন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার যোগ্যতা

কুয়েত আল ন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার যোগ্যতা হিসেবে অবশ্যই আপনার একটি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সনদ থাকতে হবে। আপনি যদি পূর্বে কোথাও কাজ করে থাকেন সেটার প্রমাণ হিসাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলো সংরক্ষণ করে রাখবেন।

5 Comments

  1. Abdul khalak babu

    আমার ছোট ভাইকে পাঠাবো।কিন্তু কি ভাবে

    • বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত এজেন্সি গুলোর মাধ্যমে যোগাযোগ করুন

  2. NOW Jacob Tremblay JSD General Assembly Tuesday morning Saturday morning Saturday morning Saturday morning and bd

  3. MD RUHUL AMIN

    আমি কুয়েতে যেতে চাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *